ট্রাম্পের অনুরোধে অতিরিক্ত তেল উৎপাদনে সৌদির সম্মতি

তেলের বাজারের ভারসাম্য ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মার্কিন চাহিদা অনুযায়ী আরো তেল উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব।মঙ্গলবার দেশটির মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া বলে সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) খবরে বলা হয়েছে। মন্ত্রিসভার এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাদশা সালমান।

 

দেশটির মন্ত্রিসভার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘চাহিদা ও সরবরাহ স্তরে যেকোনও ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের প্রয়োজনে সৌদি আরব তার অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা ব্যবহারের জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তেলের উৎপাদন দুই মিলিয়ন ব্যারেল পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে তার অনুরোধে সৌদি বাদশা সালমান সম্মত হয়েছেন।

 

তিনি বলেন, তেল উৎপাদন সম্পর্কে সৌদি বাদশাকে টেলিফোন করার পর তাদের মধ্যে এ বিষয়ে ঐকমত্য হয়। তবে, এব্যাপারে তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরব বিশ্বের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক দেশ এবং প্রতিদিন কমপক্ষে ১.৫ মিলিয়ন থেকে ২ মিলিয়ন ব্যারেল অতিরিক্ত তেল উৎপাদনের ক্ষমতা রাখে।

 

তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা ওপেকের মতে, দেশটিতে প্রতি দিন প্রায় ১০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদিত হয়।ইরান ও ছয়টি প্রধান শক্তিগুলির মধ্যে সম্পাদিত ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের পর ট্রাম্প তেহরানের বিরুদ্ধে পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এর পর থেকে ইরান থেকে কোনো ধরনের তেল আমদানি না করার জন্য বিভিন্ন দেশের ওপর চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প প্রশাসন।ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার জন্য সৌদি আরবসহ ইউরোপ, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের সহযোগী দেশগুলোকে চাপ দিচ্ছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।