তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার প্রবণতা আত্মঘাতী: সেতুমন্ত্রী

তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার  প্রবণতা আত্মঘাতী বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন,  “৫৭ ধারার অপপ্রয়োগ বন্ধ করতে হবে। এই প্রবণতা আত্মঘাতী।”

শনিবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে ‘সতীর্থ-স্বজন’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “কেউ কেউ ষোড়শ সংশোধনী বাতিল হওয়ায় মহাখুশি। এরা এভাবেই খুশি হয়। আনন্দের জগাই-মাধাই শুরু হয়েছে। কিছুক্ষণ আগে একজন বলে গেছেন, তারা (বিএনপি) আশার আলো দেখছেন। অন্য ইস্যু মরে গেছে। এই আশার আলো অচিরেই নিভে যাবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আসুন। ঘটনায়, দুর্ঘটনায় ইস্যু খুঁজে লাভ নাই।”

ওবায়দুল কাদের বলেন, “একেকজন ক্ষমতায় গেলে বিকল্প পাওয়ার সেন্টার হয়ে ওঠেন। কিন্তু শেখ কামাল তেমন মানুষ ছিলেন না। তার কোনো হাওয়া ভবন ছিল না। শেখ কামাল নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনীতি করেননি। পরবর্তী নির্বাচনের জন্য রাজনীতি করেননি। তিনি রাজনীতি করেছিলেন পরবর্তী প্রজন্মের জন্য।”

সাংবাদিক আবেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান, আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশীদ প্রমুখ।

৫৭ ধারার অপপ্রয়োগ বন্ধ করা উচিত

এর আগে বুধবার সকাল ওবায়দুল কাদের বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার অপপ্রয়োগ বন্ধ করা উচিত।”

ওবায়দুল কাদের বলেন, “খুলনায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলা ও গ্রেফতার তথ্যপ্রযুক্তি আইনের এ ধারার অপপ্রয়োগ। ৫৭ ধারার অপপ্রয়োগ বন্ধে তথ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ করা উচিত।”

তিনি বলেন, “তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য কিছু ঘটল আর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হলো, এটি ৫৭ ধারার অপপ্রয়োগ।”