ঝালকাঠিতে জালিয়াতির মামলায় মাদ্রাসার সুপার জেল হাজতে

ঝালকাঠির নলছিটিতে জালিয়াতির মামলায় রানাপাশা হুসাইনিয়া হামিদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবুল বাসারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রবিবার দুপুরে ঝালকাঠির জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ইখতিয়ারুল ইসলাম মল্লিক এ আদেশ প্রদান করেন। জানাযায়, ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার রগুয়ারদড়িচর গ্রামের আবদুল বারেকের ছেলে মো. জাহিদুল ইসলামের শিক্ষা সনদে জন্ম তারিখ ১৯৯২ এর স্থলে জালিয়াতি করে ১৯৯৪ করা হয়।

 

জাহিদুল ইসলাম ২০১০ সালের ২৩ ডিসেম্বর দাখিল শিক্ষা সনদ নিয়ে পুলিশ লাইন্সে পুলিশ নিয়োগ পরিক্ষায় অংশগ্রহন করে। সে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। কিন্তু তার দাখিল পাসের সনদে জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পরে। এ ব্যাপারে তৎকালীন পুলিশ লাইন্সের রিজার্ভ অফিসার এসআই আব্দুল বারী জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা দায়ের করে। মাদ্রাসা সুপার আবুল বাসার তাকে প্রশংসাপত্র দেন। সে কারনে মামলায় তিনি সাক্ষী হন।

 

২০১৬ সালের ৮ মে ঝালকাঠির চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এই মামলায় জালিয়াতির দায়ে জাহিদুল ইসলামকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে জাহিদুল ইসলাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ২০১৬ সালের ১৭ মে আপিল করেন। আপিলে সাক্ষ্যগ্রহণকালে জালিয়াতির মাধ্যমে বয়স পরিবর্তন করার বিষয়টি প্রমান হয়। অধ্যক্ষ নিজেই এ কাজটি করায় তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।