ঝালকাঠির কিফাইতনগরে ১ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী

ঝালকাঠি পৌর এলাকার কিফাইতনগরে প্রায় ১ কিলোমিটার সড়কে কাদাপানিতে ভেঙে চলাচল করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীকে। এ সড়ক দিয়ে চলতে গিয়ে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা চরম ভোগাত্মিতে পড়ছে। হাঁটু সমান পানি-কাদা পেরিয়ে তাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। কিফাইতনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পূর্ব দিকে ৫০ গজ সামনে গুলেই এ রাস্তাটি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিগত কয়েকদিনের পানি বৃদ্ধি ও টানা বৃস্টির কারণে সড়কের বেশির ভাগ জায়গা পানিতে তলিয়ে আছে।

 

সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করা প্রায় অসম্ভব। তাই এলাকাবাসী জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হয় না। সড়ক দিয়ে নিয়মিত যাতায়াতকারী স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কাঁচা সড়কটি দিয়ে শুকনো মৌসুমে কোনোমতে যাতায়াত করা যায়। কিন্তু বর্ষা এলেই সমস্যা বাড়ে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানানো সত্ত্ব্বেও সড়কটিতে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। ওই পথে চলাচলকারী ব্যবসায়ী অপু মৃর্ধা জানান, এ সড়কটি দিয়ে চলাচল করতে ভয় লাগে। বিভিন্ন স্থানে রয়েছে খানা খন্দ।

 

পানিতে তলিয়ে গেলে কিছু বুঝা যায় না। অন্ধ মানুষের মতো ধারণা করে পা দিয়ে মেপে চলতে হয়। সরকারী কলেজের হিসাব বিজ্ঞানবিভাগের অনার্সের ছাত্রী রিমা খানম জানান, পানি বৃদ্ধি বা বর্ষা হলেই রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে যায়। কলেজে যাবার সময় আতঙ্কে থাকি কখন যেন গর্তে পড়ে যাই। গর্তে পড়ে গেলে জামা-কাপড় এবং বই খাতা ভিজে যাবার আশঙ্কায় থাকি। গুরুত্বপূর্ণ ক্লাস না থাকলে সেদিন আর কলেজে যাই না। গৃহিনী পরী বেগম জানান, আমাদের এলাকা থেকে অনেক বাচ্চারা স্কুলে যায়। বৃস্টি হলে পানি-কাদার ভয়ে আর যেতে চায় না। ষাটোর্ধ্ব আঃ মহাসিন খান জানান, আমরা কয়েকশ লোক এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করি। পানি বৃদ্ধি বা একটু বেশি বৃস্টি হলেই রাস্তা তলিয়ে যায়। রাস্তার মধ্যের কয়েক জায়গায় গর্ত রয়েছে। সে কারনে চলাচলে ভয় লাগে। পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ওই রাস্তাটি পরিদর্শন করে ডিজাইন করে ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নেয়া হবে। সে অনুযায়ী বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু করা হবে।