কাঠালিয়ায় গণধর্ষণ মামলার আসামীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় সজল জোমাদ্দার নামে গণধর্ষণ মামলার আসামীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সজলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার হয়েছে দাবি করে নিহতের বাবা শাহ আলম জোমাদ্দার বাদী হয়ে মঙ্গলবার দুপুরে কাঠালিয়া থানায় এ মামলা করেন। মামলায় ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসা ছাত্রীর বাবাসহ নয়জনকে আসামী করা হয়েছে। মামলার এজাহারে জানা যায়, সজল জোমাদ্দার বাংলালিংক কম্পানিতে চাকরি নিয়ে ঢাকার বাড্ডা এলাকায় বসবাস করতেন। গত ২২ জানুয়ারি তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর পর থেকে তাঁর কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। ২৬ জানুয়ারি দুপুরে কাঠালিয়ার বীণাপানি গ্রাম থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর গলায় ঝুলানো একটি কাগজে লেখা ছিল, “আমার নাম সজল, আমি কারিমার ধর্ষক, ইহাই আমার পরিনতি”। মামলার এজারে বাদী উল্লেখ করেন, গত ১৭ জানুয়ারি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থানায় তাঁর ছেলে সজলের নামে একটি নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করা হয়।

ওই মামলার বাদী ও তাঁর লোকজন মিলে সজলকে হত্যা করে লাশ ফেলে পালিয়ে যায়। নিহত সজল জোমাদ্দার পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা গ্রামের শাহ আলম জোমাদ্দারের ছেলে। কাঠালিয়া থানার ওসি মো. এনামুল হক জানান, পুলিশ এজাহারটি তদন্ত করবে। তদন্তে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।