নাঙ্গলকোটে সন্ত্রাসী হামলায় এক প্রবাসী গুরুতর আহত

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের কনকৈইজ গ্রামের ওবায়েদ উল্লাহ (৫০) নামে এক কুয়েত প্রবাসীর উপর বৃহস্পতিবার সকালে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সন্ত্রাসী সোহেল রানা, ফয়েজ আহম্মেদ ওমর ফারুকসহ ১৫-২০জন ধারালো অস্ত্র, রড ও দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পিটিয়ে তাকে আহত করে। আহত ওবায়েদ উল্লাহকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ ঘটনায় নাঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওবায়েদ উল্লার স্ত্রী রোশনারা বেগম।


অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মক্রবপুর ইউনিয়নের কনকৈইজ এলানিয়া গ্রামের ওবায়েদ উল্লাহ বৃহস্পতিবার ফজর নামাজ শেষে নাস্তা করতে পাশ্ববর্তী ভুলুয়াপাড়া গ্রামের ফজলের চা দোকানে যাওয়ার পথে পেয়ার আহম্মদের বাড়ীর সামনে কনকৈইজ গ্রামের জয়নাল সওদাগরের ছেলে সোহেল রানা, একই গ্রামের আব্দুল বারীক মিয়াজীর ছেলে ফয়েজ আহম্মেদ, পেরিয়া ইউনিয়নের খোশারপাড় গ্রামের এয়াছিনের ছেলে ওমর ফারুক সহ ১৫-২০ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী ধারালো অস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে কুপিয়ে পিটিয়ে ওবায়েদ উল্লাহকে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।


আহত ওবায়েদ উল্লাহ বলেন, তারা গত এপ্রিল মাসে আমার মেয়ে রুজিনা আক্তারকে (২০) অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে আটক করে রেখেছে। এ ব্যাপারে আমি নাঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ করি। এখন অপহরণকারী রাসেলের পক্ষ নিয়ে ভুলুয়াপাড়া গ্রামের মোজাম্মেল মেম্বার ও কনকৈইজ এলানিয়া গ্রামের খোকন মিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করে। এলাকাবাসী এগিয়ে না আসলে তারা আমাকে খুন করে ফেলতো।


মোজাম্মেল মেম্বার বলেন, বিভিন্ন সময়ে রাসেলদের সাথে ওবায়েদের বিরোধের বিষয়ে আমি সমাধানের চেষ্টা করে আসছি। রাসেলের পিতা জামালের সাথে আমার ব্যক্তিগত সর্ম্পক থাকায় ওবায়েদ আমাকে সন্দেহ করে আসছে। এ ঘটনায় আমি কোন ভাবেই সম্পৃক্ত নই।


এ ব্যাপারে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) কামরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। ঘটনাটির সাথে তাদের পূর্ব শত্রæতা জড়িত থাকতে পারে। বিস্তারিত তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।