ফরাজীকান্দির পীরের দেয়া`র অনুষ্ঠান

মতলব উত্তর/ অক্টোবর (খবর তরঙ্গ ডটকম)
লেবাছধারী পীর অনেক আছে কিন্তু খাটি পীরের খুবই অভাব। একজন খাটি পীরই পারেন সাধারন মুসলমানদেরকে হেদায়েতের পথে নিয়ে আসতে। কিন্তু সেই পীরই যদি খাটি না হন তবে তা কি করে সম্ভব? বাংলাদেশে বর্তমানে অনেক পীরসাহেবদের দেখ্ছি কিন্তু শায়খ ডঃ মানযূর আহমেদ ছিলেন সম্পূর্ন আলাদা। তিনি ছিলেন একজন খাটি রাসূল প্রেমিক। আধ্যাত্বিক বিজ্ঞানী, অলিকুলের শিরমনি, জান্নাতুল বাকীর বাসিন্দা, আশেকে রাসুল,পরম শ্রদ্ধেয় পীর ক্বিবলা ড. শায়খ মানযূর আহমাদের শোকসভা ও মিলাদ-মাহফিল ফরাজিকান্দি দরবার শরীফের ফাতেমা তুয-জোহরা জামে মসজিদ ময়দানে অনুষ্ঠিত গতকাল শুক্রবারের শোকসভা ও দোয়ার অনুষ্ঠানে বক্তারা একথাগুলো বলেন।

আশেকানে উয়েসীয় দরবার শরীফ ফরাজীকান্দি আয়োজিত শোকসভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া(বীর বিক্রম), বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোঃ নূরুল হুদা, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান,মেজর জেনারেল(অব) এহতেশাম, আলহাজ্ব রহমত উল্যা, ডাঃ আমিরুল ইসলাম,পীরের বোনের জামাই আলী আজগর খান, পীরের ছোট ভাই মোকাদ্দেছ আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরুল হক সরকার, ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দানেশ, আলহাজ্ব মোহাম্মদ মাহবুবুল পাটওয়ারী, মাওলানা মোঃ আতাউর রহমান, মাওলানা মোঃ আবুল কালাম, আলহাজ্ব সূফী মোঃ মিজানুর রহমান, মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম,মোস্তফা হারুন রসিদ, আলহাজ্ব কাজী মুহাম্মদ কিবরিয়া, আলহাজ মাওলানা তাজুল ইসলাম প্রমূখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মরহুম পীরের সুযোগ্যপুত্র পীরজাদা হযরত মাওলানা মাসুদ আহমেদ, হাসিমপুর দরবার শরীফের পীর হযরত মাওলানা আশফাক আহমেদ,উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু আলী মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, মতলব উত্তর থানা অফিসার্স ইনচার্জ রুস্তম আলী সিকদার পিপিএম, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. রুহুল আমিন, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির সম্পাদক এড.নূরুল আমিন রুহুল, জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মঞ্জুর আহমেদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলীসহ বিভিন্ন রাজনীতি দলের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ভক্তগন ও সাধারন মানুষ।শোক সভা পরিচালনা করেন,ডাঃ ইসমাইল হোসেন মিয়াজী ও মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। বাদ জুম্মা মিলাদ-মাহফিল ও মোনাজাত করা হয়। মিলাদ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন, মাওলানা সিরাজ উদদৌলা। অনুষ্ঠানে ৩০ সহস্রাধিক ধর্মপ্রান মুসলমানের সমাগন ঘটে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।