১০ হাজার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে যৌথ ভাবে নামছে রাজউক ও দুদক

রাজধানীতে প্রায় ১০ হাজার অবৈধ ভবন ও স্থাপনার তালিকা  নিয়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম যৌথ ভাবে শুরু করেছে  রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) । দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক প্রবণ কুমার ভট্টাচার্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) শেখ আব্দুল মান্নান সাংবাদিকেদের বলেন, “যৌথ অভিযানের শক্তি আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। যৌথ অভিযানে রাজউকের কর্মকর্তাদের কাজে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির ব্যাপারেও সবার স্বচ্ছ ধারণা থাকবে।”

মঙ্গলবার থেকে রাজধানীর গোরানের  রাজউকের অনুমোদিত  ভবনের নকশার বাইরে নির্মিত বর্ধিত অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে।  অভিযানকালে ভবন মালিকদের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করেছে এই যৌথ টিম।

শেখ আব্দুল মান্নান বলেন, “রাজধানীতে প্রায় ১০ হাজার অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা তাদের হাতে রয়েছে। তবে এর  সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়াতে পারে। ওইসব অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে দুদক ও রাজউক থাকবে।”

তিনি আলোচিত কয়েকটি ভবনের কথা উল্লেখ করে বলেন, “অভিযান শুরুর আগে ওইসব স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে গুলশান এভিনিউয়ে জব্বার টাওয়ার ছয় তলার অনুমতি নিয়ে ২২ তলা (ইউনিয়ন প্রোপার্টিজ লি.) এবং ইকবাল টাওয়ার ছয় তলার অনুমতি নিয়ে ২০ তলা (মালিক এম. এন. এইচ বুলু) নির্মিত ভবনও রয়েছে।

গুলশান এভিনিউ এলাকায় নোমান চৌধুরী ও মনিরুজ্জামান মিলুর মালিকানাধীন দুটি ভবন, ওই এলাকায় এলাকার শফিউর রহমানের ছয় তলা ভবন, গাজী নুরুল ইসলাম গংয়ের আট তলা ভবন, এশিউর প্রোপার্টিজের নয় তলা ভবন, সালাহ উদ্দিন আহমেদের ছয় তলা ভবন, মো. মনিরুজ্জামানের নয় তলা ভবন, আজিজুল হক ও নাজনীন হকের দুটি ভবন সম্পূর্ণ অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান সফল করতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জনবলের অভাব রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এর ফলে এই উচ্ছেদ অভিযান ধীরগতিতে চলছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।