কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নতুন মামলা

৩৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল  এবং সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যানবাহন ভাঙচুর ও আগুন দেয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছে।

শুক্রবার সকালে শাহবাগ থানায় বৃহস্পতিবার করা ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে এ মামলা করে। এছাড়া বৃহস্পতিবার আটককৃত নয়জনের বিরুদ্ধেও দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমশিনার (এডিসি) মারুফ হাসান  জানিয়েছিলেন, আটককৃতদরে বিরুদ্ধে পুলিশ কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে না। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের সবাইকে ছেড়ে দেয়া হবে।

মামলার আসামিরা হলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স ২য় সেমিস্টারের ছাত্র হাফিজুর রহমান, শিকদার দিদারুল ইসলাম, মতিউর রহমান, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, জুনায়দে, নুরুল হুদা, রায়হান কাউসার, মোহাম্মদ আরিফ হোসেন এবং মির্জা তৌহিদুল ইসলাম।

গাড়ি ভাঙচুর মামলা প্রসঙ্গে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম  বলেন, বৃহস্পতিবার আন্দোলনকারীরা দুটি গণমাধ্যমের গাড়িসহ কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় অজ্ঞাত আন্দোলনকারীদরে আসামি করে মামলা দেয়া হয়েছে।

এদিকে, বিধিবহির্ভূতভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করার অভিযোগ দিয়ে অজ্ঞাত পাঁচ শতাধকি শিক্ষার্থীকে আসামী করে শাহবাগ থানায় আরেকটি মামলা দায়রে করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কামরুল হাসান বাদি হয়ে শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে নাম উল্লেখ না করে পাঁচ শতাধকি শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, আন্দোলনকারীরা বিধিবহির্ভূতভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে পাশাপাশি অনেক সম্পদ ধ্বংস হয়েছে।

বৃহস্পতিবার যারা অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।