‘শেখ হাসিনাকে সমর্থন দেয়া ভারতের অবশ্য কর্তব্য’:দি নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ভারতীয় দৈনিক ‘নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ এর অনলাইন সংস্করণে ‘সাপোর্ট ডেমোক্রেসি অ্যান্ড সেক্যুলারিজম ইন বাংলাদেশ’ অর্থাৎ ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে সমর্থন করুন’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। প্রতিবদেনটির উল্লেখযোগ্য অংশ এখানে উপস্থাপন করা হলো।  ওই প্রতিবেদনে বাংলাদশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার বিষয়টি ভারতের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে বলে মন্তব্য করা হয়েছে। তাতে বলা হয়, বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতান্ত্রিক শক্তির পক্ষে অবশ্যই ভারতের পূর্ণ সমর্থন থাকতে হবে। সাধারণ জনগণ শান্তি চায়।
অর্থনীতিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার কাজ করবে বলে মনে করে জনগণ। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া ভারতের অবশ্য কর্তব্য।  ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে আমেরিকা ও পশ্চিমা রাষ্ট্রসমূহের নিজেদের দূরে সরিয়ে নেয়া এবং বিরোধী দলগুলোকে মৌন সমর্থন দেয়ার বিষয়টি প্রকৃতপক্ষেই দুর্ভাগ্যজনক। বিরোধী দলগুলোর অনমনীয় ও অনড় অবস্থান ও কর্মসূচি, স্বল্প ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিতের মাধ্যমে দেশটির সাধারণ নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছিল।  এতে বলা হয়, ক্ষমতার আসনে থাকা অবস্থায় শেখ হাসিনার সরকার যে ধরনের প্রতিপক্ষের সম্মুখীন হয়েছিলেন, তাতে নির্বাচনী প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়া ও নির্বাচনের পর দেশে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ছাড়া শেখ হাসিনার সামনে তেমন কিছুই করার ছিল না।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর সবচেয়ে ভয়াবহ রাজনৈতিক অস্থিরতা দমনের চ্যালেঞ্জ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামনে। সর্বশেষ সহিংসতা শুরুর আগে অর্থনীতি পূর্বের খারাপ অবস্থা থেকে উঠে আসছিল। দেশজুড়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর একটানা হরতাল-অবরোধে অর্থনীতি বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে।  ওই প্রতিবেদনে বিএনপি ও এর মিত্র জামায়াতে ইসলামীর প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, সহিংসতা অনুমেয় ছিল। কিন্তু যে মাত্রায় নির্বাচনী সহিংসতা ঘটেছে তাতেই প্রতীয়মান পাকিস্তানি বিভিন্ন সংস্থার মদদে বাংলাদেশী মৌলবাদী শক্তি তাদের অশুভ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।