ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে ৯৭ উপজেলায় ভোট গ্রহন চলছে

ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় দেশের চতুর্থ উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে ৯৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।  সকাল ৮টা থেকে টানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষে নির্বাচন কমিশন সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী।

দশম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত ১৯ দল অংশ না নিলেও চতুর্থ উপজেলা নির্বাচনে তারা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে। ফলে নির্দলীয় স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচনে প্রত্যক্ষভাবে দলীয়তে রূপান্তরিত হয়েছে। তৃণমূলে আওয়ামী লীগ-বিএনপি প্রধান দুটি দলের শক্তি পরীক্ষা হবে এ নির্বাচনে। একতরফা জাতীয় নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ-বিএনপি অংশ নেয়ায় উপজেলা নির্বাচন পেয়েছে জমজমাট রূপ। সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনা। উত্তেজনা যাতে সন্ত্রাসে রূপ নিতে না পারে সেজন্য  নির্বাচনী এলাকাগুলোতে টহল শুরু করেছেন সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা। সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে সংখ্যালঘু ভোটারদের নিরাপত্তা বিধানে রাখা হয়েছে বিশেষ নজরদারি।

প্রথম ধাপের এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট এক হাজার ২৭৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৪৩২, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫১৩ জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩২৯ জন আছেন।

৯৭টি উপজেলার মোট ভোটার এক কোটি ৬৪ লাখ ৭৮ হাজার ১৭২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৮১ লাখ ৯১ হাজার ৫৩৭ জন এবং নারী ৮২ লাখ ৮৬ হাজার ৬৩৫ জন। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছয় হাজার ৯৯৫টি এবং ভোটকক্ষ ৪৩ হাজার ২৯০টি। রিটার্নিং অফিসার ৪০ জনই সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক। সহকারী রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন ৯৭ জন। প্রিজাইডিং অফিসার ৬৯৯৫ জন।

ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে ৯৭টি উপচজেলায় সোমবার থেকেই্ সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এরই মধ্যে কয়েকটি স্থানে কিছু সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে। নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলছিলেন, উপজেলা নির্বচনে এ পর্যন্ত যেসব সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে সেগুলো স্থানীয় প্রার্থীদের মধ্যে হয়েছে। তাছাড়া বড় কোনো ধরনের সহিংসতা যাতে না হয় সে ব্যপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।