কাল শেষ ধাপে ১২ উপজেলায় ভোট, সহিংসতার আশঙ্কা

শেষ ধাপে দেশের চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সোমবার ১২ উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শনিবার রাতেই শেষ হয়েছে এসব উপজেলার আনুষ্ঠানিক প্রচার কাজ। ১৪ উপজেলার তফসিল ঘোষণা করা হলেও আইনি জটিলতার কারণে পরবর্তী সময়ে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী ও নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

শেষ ধাপে ১২ উপজেলায় ৬১ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে অর্ধেক প্রার্থীই বিদ্রোহী। এ ছাড়া ৬৯ জন ভাইস চেয়ারম্যান ও ৪৯ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যেও অধিকাংশ দলীয় হাইকমান্ডের বাইরে বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচন করছেন।

এদিকে, আগের ধাপগুলোর মতোই শেষ ধাপে সহিংসতার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারণ মানুষ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পর্যাপ্ত উপস্থিতি থাকলেও মানুষের মনে শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করেছে, আগের ধাপগুলো থেকে এবারের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে। এ ধাপে যেকোনো অনিয়ম ও সহিংসতায় সেনাবাহিনী সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে বলেও জানিয়েছে ইসি।

যে ১২ উপজেলায় ভোট
গত ১৬ এপ্রিল ১৪ উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলেও পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী ও নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলার নির্বাচন স্থগিত করা হয়। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার নির্বাচনের ওপর আদালতের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলেও রহস্যজনক কারণে কমিশন এই উপজেলার ভোট স্থগিত রাখে। বাকি ১২ উপজেলার মধ্যে রংপুরের সদর, কাউনিয়া, গঙ্গাচড়া, পীরগাছা, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ, বরগুনার তালতলী, টাঙ্গাইলের বাসাইল, গাজীপুর সদর, রাজবাড়ী কালুখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর ও কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর এবং সদর দক্ষিণ উপজেলায় নির্বাচন হচ্ছে।

এদিকে একই তারিখে ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন প্রার্থী।

প্রসঙ্গত, সারাদেশ ৪৮৭টি উপজেলার মধ্যে পাঁচ ধাপে এ পর্যন্ত মোট ৪৫৯টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপ, ২৭ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপ, ১৫ মার্চ তৃতীয় ধাপ, ২৩ মার্চ চতুর্থ ধাপ এবং ৩০ মার্চ পঞ্চম ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।