পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা স্বীকার করে : শিক্ষামন্ত্রী

২০১৪ সালের এইএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা স্বীকার করে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, “গতানুগতিক পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে আরো উন্নত পদ্ধতি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। গঠিত কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী প্রচলিত আইন সংশোধন করে কঠোর শাস্তির বিধান করা হবে।”

 

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষার মান উন্নয়নের বিষয়ে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের সঙ্গে সাড়ে চার ঘণ্টার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী। বৈঠকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় স্থান পায়।

 

শিক্ষামন্ত্রী ২০১৪ সালের এইএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা স্বীকার করে বলেন, “বর্তমান সরকারের বিগত পাঁচ বছরে কখনো প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেনি। ২০১৪ সালেই প্রথম ঘটেছে। এর সঙ্গে যারা জড়িত বলে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে, তারা যতই শক্তিশালী হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

 
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক জাফর ইকবাল, অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, অধ্যাপক ড, আনিসুজ্জামান, অ্ধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ, অধ্যাপক অজয় রায়, ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ড. মোহাম্মদ ফরাস উদ্দিন, অধ্যাপক মেহবাহ উদ্দিন, অধ্যাপক  সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, এম এম আকাশ , অধ্যক্ষ কাজী ফারুক আহমেদ, ড. মুনতাসিন মামুন, প্রফেসর ড. হারুণ-অর-রশিদ, অধ্যাপক রেহমান সোবহান, ড. খলিকুজ্জামান, সেলিনা হোসেন, ড. ওয়াহিদউদ্দিন, ড. মুহাম্মদ ইব্রাহীম প্রমুখ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।