ঝুঁকিতে অসচেতন মানুষ, ব্যর্থ ঔষধ প্রশাসন

চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই বিক্রি হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক, হরমোনাল ইঞ্জেকশনসহ নানা ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকিযুক্ত ওষুধ। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না জেনে এসব ওষুধ গ্রহণ করার ফলে একদিকে যেমন রোগীদের শরীর হয়ে উঠছে ওষুধ প্রতিরোধী, তেমনি দেখা দিচ্ছে নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা। ওভার দ্যা কাউন্টার ড্রাগ অর্থাৎ চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া যেসব ওষুধ কেনাবেচা করা যাবে, এখন পর্যন্ত সেসব ওষুধের তালিকা করতে ব্যর্থ ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর।

 

শাহবাগের ওষুধ মার্কেট। প্রতিদিন হাজার হাজার লোক এখান থেকে ওষুধ কিনছেন। কেউ চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র নিয়ে আসছেন, কেউবা শুধু ওষুধের নাম বলেই ওষুধ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি সাধারণ জ্বর জারির জন্য কেউ অ্যান্টিবায়োটিক চাইলেও তা পেয়ে যাচ্ছেন। তবে ওষুধের দোকানদাররা তা স্বীকার করতে চান না সহজে। তবে কিছুক্ষণ অপেক্ষার পরই দেখা গেল প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রির পরিমাণ নিতান্ত কম নয়। ব্যাথানাশক ওষুধ থেকে শুরু করে সব ধরনের ওষুধই মেলে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া।
বাধ্যতামূলক হলেও যেহেতু বাংলাদেশে বেশিরভাগ ওষুধের দোকানেই ফার্মাসিস্ট নেই, তাই ওষুধ বিক্রির ঝুঁকি অনেক বেশি বলে মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের। এদিকে ওষুধ নীতি তৈরির ৩২ বছর পরও ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর ওভার দ্যা কাউন্টার ড্রাগের কোনো তালিকা তৈরি করতে পারেনি। তবে বিষয়টিকে আমলে নেয়া হবে বলে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

 

সংশোধিত ওষুধ নীতিতে এসব ওষুধের তালিকা সংযুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে অধিদফতরের কর্মকর্তারা। সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।