আজ বিনা ভোটে এমপিদের নিয়ে রিটের রায়

সংসদীয় আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীকে নির্বাচিত করার গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১৯ ধারা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের রিটের বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার রায়ের দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার বিকেলে বিচারপতি মির্জা হোসাইন হায়দার ও বিচারপতি খুরশিদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম ও রেদোয়ান আহমেদ রানজীব। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা।

এর আগে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে এ মামলার বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও মাহমুদুল ইসলাম।

গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার আবদুস সালাম সুপ্রিম কোর্টে রিট আবেদনটি করেন। পরে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একক প্রার্থীকে নির্বাচিত করার গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১৯ ধারা কেন সংবিধান পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১৯ ধারা অনুসারে, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর বা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর একক প্রার্থী থাকলে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা যায়।

রুলে বিবাদীরা হচ্ছেন- সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশন সচিব।

প্রসঙ্গত, ৫ জানুয়ারি প্রধান বিরোধী দলসহ নিবন্ধিত ৪০ দলের মধ্যে অন্তত ২৮ দলের বর্জনের মুখে দশম জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোটের ১৫৩ জন একক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।