জঙ্গি দমনে কি সত্যিই দলভেদে ঐক্য সম্ভব

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার পর সন্ত্রাস-বিরোধী জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই ঐক্য ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে। এর আগে বিএনপি থেকে একটি সন্ত্রাস-বিরোধী রাজনৈতিক ঐক্যের কথা বলা হলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাদের কেউ কেউ জামায়াতের সঙ্গ ছাড়লে সেটা সম্ভব বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

 

ইংরেজি দৈনিক নিউজ টুডে’র সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন আহমেদ বলছেন, জঙ্গি দমন করতে হবে সে ব্যাপারে সবার মধ্যে উদ্দেশ্যের দিক থেকে একটা ঐক্য হয়ে গেছে। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক ঐক্যের সম্ভাবনা কতটা যেখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এক টেবিলে বসে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে? “বাংলাদেশের যে বিভাজনের রাজনীতি তা অত্যন্ত বিষাক্ত একটা অবস্থায় চলে গেছে। তাতে প্রাতিষ্ঠানিক ঐক্য হবে কিনা তাতে যথেষ্ট সন্দেহ আছে”।

 

প্রাতিষ্ঠানিক ঐক্যের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলছেন, তুরস্কে এরদোয়ানের বিরোধীরাও যখন বলছে তারা সামরিক অভ্যুত্থান মানেন না সেটাকে বলা যায় প্রাতিষ্ঠানিক জাতীয় ঐক্য। বা ভারতের কাশ্মীরে কোনো সমস্যা দেখা দিলে সব দল একসাথে বসে সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু সেটি বাংলাদেশে হয়নি। এই ঐক্য তৈরিতে বাধা বলা হচ্ছে জামায়াতকে।

 

রিয়াজউদ্দিন আহমেদ মনে করছেন, জামায়াত সম্পর্কে স্বয়ং বিএনপিতে মনোভাব পরিবর্তন হয়েছে। চাপ আসছে দলের সদস্য এবং বিএনপি পন্থী বুদ্ধিজীবীদের দিক থেকে।

 

সূত্র: বিবিসি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।