ট্রেনের টিকেট আছে বগি নাই!! যাত্রী ভোগান্তি চরমে

চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনের ‘খ’ বগির টিকেট বিক্রি হলেও গতকাল বুধবার সকাল ৮ঃ১৫ মি. এ ছেড়ে আাসা এই ট্রেনে ১ টি বগি যুক্ত করা হয়নি। এতে করে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা মুখী যাত্রীগণ চরম ভোগান্তির শিকার হন। খোঁজ নিয়ে জানাযায়, চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনটির “খ” বগি ছাড়াই সকাল ৮ঃ১৫ মি. চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসে।
অনলাইনে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার টিকেট কেটে কুমিল্লা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ট্রেনে উঠেন নাজমুল আলম নোমান ও মাকসুদুর রহমান নামে ২জন যাত্রী। তারা জানান, ট্রেনটি কুমিল্লা স্টেশনে নির্ধারিত সময়ের ১ঘন্টা পর ১২ঃ৩০ মি. এ ট্রেনটি কুমিল্লা পৌঁছালে আমাদের টিকেট এ উল্লেখিত বগি খুজে পাচ্ছিলাম না, তাৎক্ষণিক আমরা ট্রেন পরিচালক (গার্ড) এর সাথে যোগাযোগ করি তিনি বলেন “খ” বগি সামনের দিকে।
আমরা ট্রেনের সামনের দিকে গিয়ে দেখি “খ” বগি নেই। তখন ট্রেন ছেড়ে দিচ্ছে তাই অন্য একটি বগিতে উঠে যাই। ট্রেনটি আখাউড়া স্টেশনে পৌছালে আবার আমরা গার্ড এর সাথে কথা বলি এতে তিনি রাগান্বিত হয়ে খারাপ ব্যবহার করেন। গার্ড বলেন সামনে একটি বগিতে উঠে যেতে। “খ” বগি কেন নেই তা তিনি বলতে পারবেন না।

 

একই বগি’র ১৫ থেকে ২০ জন যাত্রী ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, ট্রেন এমনিতে নির্ধারিত সময় থেকে অনেক দেরিতে এসেছে তার উপর বাড়তি ঝামেলা। ট্রেনের গার্ড এবং এটেনডেন্ট “খ” বগির তথ্য জানতে চাইলে আমাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন যা আমরা তাদের থেকে আশাকরিনি।

ইকবাল নামের একজন যাত্রী বলেন, ফ্যামিলি নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে উঠে “খ” বগি খুজে না পেলে এটেনডেন্ট মোহন এর সাথে কথা বলি সে আমাদেরকে “ছ” বগিতে উঠতে বলে চলে যান। ” ছ” বগিতে গিয়ে দেখি বসার চেয়ে দাঁড়ানো মানুষই বেশি। এতে কি পরিমাণ ভোগান্তিতে পড়েছি তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না।৷

 

চট্টলা এক্সপ্রেস এর গার্ড(পরিচালক) মোঃ আলী এই প্রতিবেদককে জানান, ট্রেন এ “খ” বগি সংযুক্ত না করার বিষয়টি তিনি জানতেন না। আখাউড়া থেকে ট্রেন ছাড়ার পর এটেনডেন্ট এর মাধ্যমে জানতে পারি “খ” বগি ট্রেনে লাগানো হয়নি। ট্রেনে কোন বগি পরিবর্তন হলেও টিএক্সআর অথবা চট্টগ্রাম রেল স্টেশন মাস্টার আমাকে তা অবগত করেনি। তাই আমি যাত্রীদের বগি’র তথ্য দিতে পারিনি।