বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে দেশের সকল জনগণকে আরো সাশ্রয়ী হতে হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে বিদ্যুতের প্রায় তিন কোটি গ্রাহক রয়েছে, প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ ৬.২৫ টাকা আর মানুষ পাচ্ছে ৪.৮২ টাকায়। তাই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে দেশের সকল জনগণকে আরো সাশ্রয়ী হতে হতে হবে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর বসুন্ধরাস্থ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ’র কর্মসুচীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এসব সব কথা বলেন।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের সার্বিক সাফল্য জনগণের কাছে তুলে ধরাই এ সপ্তাহের মূল লক্ষ্য। জনগণকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করে উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে প্রতি বছর জাতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বীর বিক্রম এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম, এমপি।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। এদিকে বিদ্যুৎ সপ্তাহ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

এছাড়া বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে জাতীয় বিদ্যুৎ সপ্তাহ উপলক্ষে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, বাপবিবোর্ডের আওতাধীন ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এলাকায় র‌্যলি, গ্রাহক সমাবেশ, আগত অতিথিদের সঙ্গে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে বিদ্যুৎ মেলার আয়োজন।

এছাড়াও একই স্থানে গ্রাহক সেবা এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ব্যানার, পোস্টার ও সিটিজেন চার্টার প্রদর্শন, বকেয়া আদায়ে গ্রাহকদের উদ্বুদ্ধকরণ, অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ, বাপবিবোর্ডের কার্যক্রমের উপর ভিডিও চিত্র ও পাওয়ার পয়েন্ট প্রদর্শন, বিদ্যুৎকর্মীদের নিরাপত্তামূলক মহড়া ইত্যাদি আয়োজনের সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।

‘অনির্বাণ আগামী’-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার থেকে সারাদেশে পালিতো হচ্ছে জাতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ-২০১৮।