সাক্ষীদের সাক্ষ্য নিয়ে যে কেলেঙ্কারি করেছে তা ওয়াটার কেলেঙ্কারিকেও হার মানায় - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

সাক্ষীদের সাক্ষ্য নিয়ে যে কেলেঙ্কারি করেছে তা ওয়াটার কেলেঙ্কারিকেও হার মানায়



(খবর তরঙ্গ ডটকম)

ঢাকা, ২৯ নভেম্বর (খবর তরঙ্গ ডটকম)- আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক জামায়াতে ইসলামীর নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে   বৃহস্পতিবার নবম দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় ট্রাইব্যুনালের কাছে বলেন,  এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষীদের সাক্ষ্য নিয়ে ট্রাইব্যুনালের সাথে প্রতারণা করেছে। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনালে সাঈদীর আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় তিনি এ সব কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার নবম দিনের মতো যুক্তি উপস্থাপন শেষে মামলার কার্যক্রম আগামী ২ডিসেম্বর পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।

সাঈদীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনীত অভিযোগের ব্যাপারে যুক্তি উপস্থাপন করেছে তার আইনজীবী। এর আগে সাত কার্যদিবস সাঈদীর পক্ষে তার আইনজীবী মিজানুল ইসলাম যুক্তিতর্ক পেশ করেন। এরপর যুক্তিতর্ক পেশ শুরু করেন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক। বৃহস্পতিবার তিনি দ্বিতীয় দিনের মতো যুক্তিতর্ক পেশ করেন।

পরে ব্যারিস্টার রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হেলালউদ্দিন সাক্ষীদের অনুপস্থিতে দেখিয়েছেন অথচ সাক্ষীরা সবাই দেশে ছিল।

তিনি বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা নিজের মনগড়া বক্তব্য লিখে তা সাক্ষীদের নামে চালিয়ে দিয়েছেন। এটা করে তিনি ট্রাইব্যুনালের সাথে প্রতারণা করেছেন।

ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, আমরা সাক্ষীদের বিষয়ে বিভিন্ন ডকুমেন্ট ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন  করেছি।

তিনি বলেন, সাক্ষীদের সাক্ষ্য নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা যে কেলেঙ্কারি করেছে তা ওয়াটার কেলেঙ্কারিকেও হার মানায়।

সাঈদীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের পক্ষে সৈয়দ হায়দার আলী গত ১৫ নভেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন করেন। তিনি গত ৫ নভেম্বর থেকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটককৃতদের মধ্যে একমাত্র দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন, আসামিপক্ষের সাক্ষী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ সবার জবানবন্দি গ্রহণ এবং জেরা শেষ হয়েছে। মামলাটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য যুক্তিতর্ক উপস্থাপনও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

সাঈদীকে একটি মামলায় ২০১০ সালের ২৯ জুন গ্রেপ্তার করা হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১০ সালের ২ নভেম্বর তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত বছরের ১৪ জুলাই তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। ৩ অক্টোবর সাঈদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলায় বিচার শুরু হয়। সাঈদীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ এবং এ ধরনের অপরাধে সাহায্য করা ও জড়িত থাকার সুনির্দিস্ট ২০টি ঘটনায় অভিযোগ আনা হয়।


রাজনীতি এর অন্যান্য খবরসমূহ
পূর্বের সংবাদ
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০