‘নিস্ক্রিয় হোক আর সক্রিয় হোক, তারা অপরাধী’:সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত

ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর (খবর তরঙ্গ ডটকম)-  বিশ্বজিতের হত্যাকারীদের সবাই চেনে। তাদেরকে গ্রেপ্তার করেও তদন্তের কাজ করা যায়। শুক্রবার দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু একাডেমী আয়োজিত বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভায় একথা বলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত । সুরঞ্জিত বলেন, ‘গ্রেপ্তার করেও তদন্ত করা যায়। বিশ্বজিতের খুনিদের সবাই চেনে সুতরাং তাদের শাস্তির আওতায় আনতেই হবে।’

তিনি বলেন, ‘হত্যাকারীরা ছাত্রলীগের নেতা কর্মী হোক বা না হোক, নিস্ত্রিয় কর্মী হোক বা সক্রিয় কর্মী হোক, তাদের পরিচয় তারা অপরাধী। তাদেরকে শাস্তি দিতেই হবে।’

বিশ্বজিতের ঘটনায় তিনি বিবেকের তাড়নায় দগ্ধ উল্লেখ করে বলেন, ‘সেখানে পুলিশ, সাংবাদিক-সহ শত শত মানুষের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে একটা ছেলেকে হত্যা করা হল; সবাই তা উপভোগ করল; কিন্তু তাকে কেউ বাঁচাতে এগিয়ে আসলোনা। এটা দুঃখজনক। এটা আমাদের গণতন্ত্রের চরম ব্যার্থতা।’

জামায়াতকে সহিংসতার পথ এড়িয়ে গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে আসার আহ্বান জানিয়ে সুরঞ্জিত বলেন, ‘পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে দিতে পারত। কিন্তু আমরা তাদের রাজনীতি করার অধিকার দিয়েছি। এ কারণেই আজকে জামায়াত নৈরাজ্য করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের চেষ্টা করছে।’

তিনি বলেন, জামায়াতের যারা যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত নয় তাদেরকে গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে ফিরে আসা উচিৎ।

তত্ত্বাবধায়কের দাবি নিয়ে বিএনপিকে সংসদে আসার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের এই জেষ্ঠ্য নেতা বলেন, ‘আপনাদের কোন দাবি থাকলে সংসদে আসুন। আপনাদের দাবি গ্রহণযোগ্য হলে এটা বিবেচনা করা হবে।  কিন্তু জনগণের জানমালের ক্ষতি করে হরতাল দিয়ে তাণ্ডব চালানোর কোন দরকার পড়েনা।’

সংগঠনের উপদেষ্টা হাজী মো. সেলিমের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, কৃষক লীগের সহ সভাপতি এম এ করিম, যুবলীগ নেতা মিনহাজ উদ্দিন মিন্টু, সংগঠনের মহাসচিব হূমায়ূন কবির মিজি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।