সরকারের কেলেঙ্কারি নিয়ে মহাকাব্য লেখা যাবে: আ স ম হান্নান শাহ - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

সরকারের কেলেঙ্কারি নিয়ে মহাকাব্য লেখা যাবে: আ স ম হান্নান শাহ



ঢাকা, (খবর তরঙ্গ ডটকম)
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার আ স ম হান্নান শাহ বলেছেন, এ সরকার হলমার্ক, শেয়ারবাজার, পদ্মা সেতু, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিডিআর বিদ্রোহ, বিশ্বজিৎ হত্যা, সাগর-রুনি হত্যাসহ অনেক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত। এ সরকারের কেলেঙ্কারি নিয়ে মহাকাব্য লেখা যাবে। শুক্রবার সকালে প্রেস কাবে মির্জা ফখরুলের মুক্তি, সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান, বিএনপির যু‎গ্ন মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর অবরোধ উঠিয়ে নেয়ার দাবিতে বাংলাদেশ উন্মুক্ত গণতান্ত্রিক পরিষদ আয়োজিত প্রতীকী অবস্থানে তিনি এ কথা বলেন।
হান্নান শাহ বলেন, “সরকার বিচারব্যবস্থাকে মানছে না। দেশের আইনি প্রক্রিয়াকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুলের জামিন হবার পরেও আবারো গ্রেফতার করেছে। একটা দলের মহাসচিবের ওপর এমন নির্বাচন দেশের জনগণ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।”
তিনি আরো বলেন, “যারা বিএনপি করছে তাদেরকেই সরকার রাজাকার বলছে। বিএনপি কোনো আন্দোলন, কর্মসূচি পালন করলেই আওয়ামী সরকার বলছে, বিএনপি যুদ্ধপরাধীদের বিচার ব্যাহত করার জন্যই এসব করছে।”
হান্নান শাহ দাবি করেন, “আমরা যুদ্ধপরাধীদের বিচার ব্যাহত করার জন্য আন্দোলন চালাচ্ছি না, আমরা দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতেই আন্দোলন করছি।”
তিনি আরো দাবি করেন, তার কাছে পাঠানো বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর এক তালিকায় আওয়ামী সরকারের শীর্ষ নেতা এমনকি সরকারের মন্ত্রীরাও যুদ্ধপরাধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।
তালিকা থেকে তিনি নাম উল্লেখ করে বলেন, আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আশিকুর রহমান যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
তিনি বলেন, “সরকার যুদ্ধাপরাধী বিচারের নামে যে ট্রাইবুনাল গঠন করেছে তা আদতে আন্তর্জাতিকভাবে গঠিত হয়নি। ড. জিয়া উদ্দিন নামে যে বিচারকের কথা বলা হচ্ছে আদালতে তার কোনো হদিসই পাওয়া যায় না। তিনি নাকি বিদেশে থাকেন, সেখানে বসে থেকে এ ধরনের বিচার কাজের সঙ্গে তিনি কিভাবে জড়িত থাকেন।”
সরকার উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিচার ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, “ইদানীং প্রধানমন্ত্রী ‘সাপের ঝাঁপি’ নামে নতুন তত্ত্ব আবিষ্কার করেছেন । তিনি বোঝাচ্ছেন, সাপকে (জামায়াত) মাথায় নিয়ে ঘুরছে বিএনপি। ৯৫-৯৯ সাল পর্যন্ত জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তখন প্রধানমন্ত্রীর মাথায় কি এ সাপ ছিল না?”
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নাল আবদিন ফারুক বলেন, “সরকার জনগণকে তোয়াক্কা না করে তেলের দাম আবারো বাড়িয়েছে। তাই দেশের মানুষকে বাঁচচাতে হলে হরতাল অবরোধ ছাড়া কোনো উপায় নেই।”
ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, “বিশ্বজিত হত্যাকারী প্রধানমন্ত্রীকে সামনের নির্বাচনে জনগণই প্রত্যাখান করবে।”
প্রতীকী অবস্থানে বক্তব্য রাখেন আবু নাসের মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ, রমিজ উদ্দিন রুমীসহ আরো অনেকে।

রাজনীতি এর অন্যান্য খবরসমূহ
পূর্বের সংবাদ