সরকার এজেন্ট ও নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে গাড়ি ভাঙচুর: দাবী বিএনপির

বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় জড়ানোর জন্য সরকার এজেন্ট ও নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। নেতাকর্মীদের গাড়ি ভাঙচুর কোনো নির্দেশ ও আহ্বান ছিল না বলেও দাবি করেন দলের সমন্বয়ক তরিকুল ইসলাম। রোববার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতাল চলাকালে কেন্দ্রীয় কার্যাছলয়ে সাংবাদিকদের তিনি কথা বলেন।

তরিকুল অভিযোগ করে বলেন, “জনগণের দাবি আদায়ে এ হরতালে আমাদের নেতাকর্মীরা যানবাহন চলাচলে বাধা দিচ্ছে না। কিন্তু জাতীয় নেতৃবৃন্দকে কেন্দ্রীয় কার্যানলয়ের মধ্যে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। একটি মিছিল পর্যন্ত বের করতে দিচ্ছে না।”

সরকার গণতন্ত্রকে খাঁচায় বন্দি করে রেখেছে বলেও মন্তব্য করেন তরিকুল।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ফলে জনগণকে পরোক্ষ কর দিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ফলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে কৃষক। গণপরিবহণে ভাড়া বাড়বে, আর সবাইকেই বেশি ভাড়া দিতে হবে।এভাবে চলতে দেয়া যায় না।”

হরতালকে কেন্দ্র করে সারাদেশে এ পর্যন্ত দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, “কৃষকের ন্যায্য অধিকার আদায়, গণপরিবহণে ভাড়া বৃদ্ধি প্রতিবাদে ও জনগণের স্বার্থে হরতাল দেয়া হয়েছে। জনগণ তা পালন করছে।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “শনিবার রাতে ঝিনাইদাহের শৈলকুপা থেকে ঢাকা মহানগর ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিক মজুমদারকে শ্বশুর বাড়ি থেকে র্যা ব তুলে নিয়ে যায়্। সকালে তার লাশ পাওয়া গেছে। এই হলো গণতন্ত্র, এই হলো মানুষের নিরাপত্তা।”

তিনি বলেন, “সরকার মানুষের নিরাপত্তা দেয়ার ক্ষমতা রাখে না ।ঘরে বাইরে কেউ নিরাপদ নয়।”

এভাবে আর চলতে দেয়া যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামের কোনো বিকল্প নেই। আর সরকারকে অনুরোধ করব অবিলম্বে জনমত যাচাই করতে পদত্যাগ করে গণতন্ত্রকে রক্ষা করুন।”

এদিকে পুলিশের মতিঝিল জোনের এডিসি মেহেদী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, “পুলিশের মূল কাজ হলো জনগণের নিরাপত্তা দেয়া। আমরা সে জন্য কাজ করছি।”

বিএনপি নেতাদের মিছিল করতে না দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

নতুন বার্তা/বিইউ/জবা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।