রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় পুলিশের সাথে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে

রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় পুলিশের সাথে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। মুহুর্মুহু গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দোকানপাট বন্ধ এবং রাস্তা ও ফুটপাত রয়েছে জনশূন্য। জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবিতে বুধবার পল্টন মোড়ে পূর্বঘোষিত গণজমায়েতে বাধা দিলে এই সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

মতিঝিল, আরামবাগ, ফকিরাপুল ও কাকরাইলের বিভিন্ন অলিগলিতে পুলিশের তল্লাশি অব্যাহত। আরও ১৬ জন গ্রেপ্তার। নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কা।

কাকরাইল মোড়ে রাজমনি সিনেমা হলের সামনে থেকে ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত হলেন- জুনায়েদ, আলতাফ, মামুন, ইমরান, রোকন, আরমান ও সুজন। গ্রেপ্তারকৃতরা নিজেদের শিবিরকর্মী নয় বলে দাবি করেছেন।
 মতিঝিল, ফকিরাপুল ও আরামবাগ এলাকার অলিগলিতে অভিযান চালিয়ে গণহারে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসছে।

ফকিরাপুলে পুলিশের গুলিতে ডাব ব্যবসায়ী রুবেল আহত। পুলিশের টহল গাড়ি থেকে তাকে গুলি করা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

পুলিশ ও জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগ ও একটি মাইক্রোবাসে ভাঙচুর চালিয়েছে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। ফকিরাপুল এলাকায় পুলিশের তল্লাশি চলছে। আটক ৬ জন।

ফকিরাপুল ও আরামবাগ ইনার সার্কুলার রোডে জামায়াত-শিবির নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ অর্ধশতাধিক গুলিবর্ষণ করে। এ সময় বেশ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ।
ফকিরাপুল ও আরামবাগে বিভিন্ন গলি থেকে রাস্তায় ছয়টি হাতবোমা নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এরআগে সকাল সোয়া ৭টার দিকে আরামবাগ আল-হেলাল পুলিশ বক্সের সামনে থেকে ঢাকা মহানগর শিবির নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে ফকিরাপুলের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ রাবার ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।