পুত্রবধূর হিসেবে প্রিয়নেত্রী খালেদা জিয়াকে বরণ করছেন শোকার্ত বগুড়াবাসী

পুত্রবধূর হিসেবে প্রিয়নেত্রী খালেদা জিয়াকে বরণ করছেন শোকার্ত বগুড়াবাসী। রাত সাড়ে ৮টার দিকে খালেদা জিয়া বগুড়া পৌঁছান। তবে খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানানোর এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক চলায় দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানাতে ছিল না তোরণ কিংবা ফুলের শুভেচ্ছা।

দলীয় প্রধানের নির্দেশ থাকায় ঢাকা-বগুড়া সড়কে তোরণ কিংবা ব্যানার-ফেস্টুনের ছড়াছড়ি নেই। তবে প্রিয়নেত্রীকে এক নজর দেখতে নেতাকর্মীরা ভীড় করে সড়কের দুই পাশে।

খালেদা জিয়ার বগুড়া সফরকে কেন্দ্র করে শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পাশের কয়েকটি জেলা থেকে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য আনা হয়েছে। প্রস্তুত করা হয়েছে পথ ও শোকসভার স্থান।

এদিকে, বগুড়ার উদ্দেশে শনিবার বিকেল ৪টায় খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাসা থেকে রওনা হন। খালেদা জিয়ার সঙ্গে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন।

সফরকালে বিএনপি চেয়ারপারসন একটি জনসভা, দুটি পথসভা ও শোকসভা করবেন বলে স্থানীয় বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে বগুড়া সার্টিক হাউজে রাত্রিযাপন করে রবিবার সকালে বগুড়া থেকে পৌনে ১১টার দিকে জয়পুরহাটের উদ্দেশে রওনা হয়ে জেলার মাটিঢালি বিমান মোড়ে সম্প্রতি সহিংসতায় পুলিশের গুলিতে নিহতের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন খালেদা জিয়া। এরপর তিনি সেখানে একটি পথসভায় বক্তব্য রাখবেন।

পথসভা শেষে সাড়ে ১২টার দিকে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি কুসুম্বা ইউনিয়নে পুলিশের গুলিতে নিহতের স্বজনদের সাক্ষাৎ ও শোকসভায় অংশ নিবেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

পরে শালাইপুর বিদ্যালয় মাঠে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় তার ভাষণ দেয়ার কথা রয়েছে।

জয়পুরহাট থেকে রওনা হয়ে দুপুরে বগুড়া সার্কিট হাউজে মধ্যাহ্নভোজ শেষে গাবতলীর সোনারা ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত মন্দির পরিদর্শন করবেন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের কথা বলবেন। পরে একটি পথসভায় তার বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে।

ওইদিন বিকেল ৩টায় জেলার শাহজাহানপুর উপজেলার অরিয়াবাজারে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহতদের স্বজনদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন বিএনপির চেয়ারপারসন। পরে স্থানীয় স্কুল মাঠে একটি জনসভা বক্তব্য রাখবেন তিনি।

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।