সরকারই ধর্ম রক্ষা করবে, ইসলামপন্থিদের কর্মসূচি অপ্রয়োজনীয়:প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বললেন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনা হলে সরকার তা সহ্য করবে না , এজন্য কোনো ধর্মীয় গোষ্ঠীর কর্মসূচি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আসলে সরকারই তা প্রতিহত করবে। প্রসঙ্গত, ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঘৃণা-বিদ্বেষ প্রচারকারীদের বিচার চেয়ে আগামী ৬ এপ্রিল ঢাকামুখী লং মার্চ কর্মসূচি করার কথা রয়েছে হেফাজতে ইসলামের। কর্মসূচি প্রত্যাহারে সরকার বারবার অনুরোধ করে আসলেও ধর্মীয় নেতা ও ছাত্র-শিক্ষকদের এই ফোরামটি অনড় রয়েছে।

রবিবার সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বললেন, ইতিপূর্বে মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে ইউটিউবে একটি ভিডিওচিত্র ছড়ানো হয়। সরকার এর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছে। ফেসবুক, ব্লগসহ যেখানে যেখানে ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করা হয়েছে, সেগুলোও সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এসময় অভিযোগ করে বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধীদের রক্ষা করতেই আন্দোলনের নামে বিরোধী দল দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র ধ্বংসে নেমেছে।

তিনি বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘দেশ যখন সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং উন্নয়নের মডেল হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃতি পাচ্ছে, তখন এই ধ্বংসযজ্ঞ কার স্বার্থে?’

শেখ হাসিনা অভিযোগ করে বলেন, দেশের অগ্রগতি ও গণতান্ত্রিক যাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে এমন কিছুই নেই যে বিরোধী দল করছে না। হরতালে সড়ক ও গাছও তাদের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। রোববার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের মুলতবি সভার শুরুতে এসব কথা বলেন তিনি।

বিরোধীদলীয় নেতার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য বিরোধী দল আত্মঘাতী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। তিনি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সন্ত্রাস উস্কে দিচ্ছেন। বিরোধী দলকে আত্মঘাতী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের মানুষ বোমার বিস্ফোরণ শুনতে চায় না। তারা শান্তিতে ঘুমাতে চায়।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সভায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৩ মার্চ গণভবনে এ সভা শুরু হলেও রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের স্মরণে এ সভা মুলতবি করা হয়। আজ ওই মুলতবি সভা শুরু অনুষ্ঠিত হয়।

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।