কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।উচ্চবাক্য ও তর্কাতর্কির মধ্য দিয়ে কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা শুরু হলেও অবশেষে সমঝোতায় শেষ হয়েছে। আগামী ২০ এপ্রিল কুমিল্লা টাউন হলে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে সফল করার জন্য বর্ধিত সভায় ব্যাপক প্র¯তুতি নেওয়ার সিদ্ধাšত হয়। শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লা নগরীর লাকসাম রোডের জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন, জেলা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আফম মো¯তফা কামাল (লোটাস কামাল ), যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আফজল খান, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিব, সদর সাংসদ  আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, বুড়িচং-বি পাড়া আসনের সাংসদ সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু, বরুড়া-সদর দক্ষিণ আসনের সাংসদ নাছিমুল আলম চৌধুরী নজরুল, ওই আসনের সাবেক সাংসদ আব্দুল হাকিম, মনোহরগঞ্জ-লাকসাম আসনের সাংসদ তাজুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক  আলহাজ্ব ওমর ফারুক, জেলা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক সফিকুল ইসলাম সিকদার প্রমুখ।
সভার শুরুতেই বরুড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কমিটি ভাঙা নিয়ে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিব, সদর সাংসদ হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহার ও বরুড়া উপজেলার সাবেক সাংসদ আব্দুল হাকিমের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয় বলে সূত্র জানায়। পরে জেলা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আফম মো¯তফা কামাল (লোটাস কামাল ) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
সভায় লোটাস কামাল বলেন, ‘‘আগামী ২০ এপ্রিল কুমিল্লা টাউন হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় সদর সাংসদ হিসেবে  বাহারই জনসভার হোস্ট থাকবেন।’’
সভায় সদর আসনের সাংসদ বাহার জানান, এটা হবে স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ জনসভা। জনসভা উপলক্ষে ৫০ হাজার পোস্টার করা হবে।
রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিব বলেন, ‘‘জনসভায় জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু আর প্রধানমন্ত্রীর নাম ব্যতীত আর কোনো নামে ¯েলাগান হবে না।’’
দলীয় সূত্রে জানা যায়, সভায় প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে জেলার এমপি ও নেতৃবৃন্দের মাঝে বিভিন্ন দায়িত্ব বন্টন করা হয়। লোটাস কামাল ও মজিবুল হক মুজিবের সহযোগিতায় ৫০ হাজার পোষ্টার তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয় জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব ওমর ফারুক ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম শিকদারকে। সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরুকে অতিথি আপ্যায়নের দায়িত্ব দেয়া হয়। কুমিল্লা সদর আসনের এমপি বাহারকে জনসভার মঞ্চ তৈরি, সাজসজ্জা ও মাইকিং ব্যাবস্থাসহ সিংহভাগ লোক সমাগম ঘটাতে দায়িত্ব দেয়া হয়। কুমিল্লাবাসীর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট খসড়া দাবিমালা প্রণয়ন করতে দায়িত্ব দেয়া হয় সদর উপজেলার চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবদুর রউফকে। এছাড়া বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগকে জেলা আওয়ামীলীগের সাথে সমন্বয় করে ৪দিন ব্যাপী মাইকিং ও লোকবল সংগ্রহের দায়িত্ব দেয়া হয়।
উল্লেখ্য জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে কুমিল্লাকে বিভাগ করার জন্য দাবি জানানো হবে বলে বর্ধিত সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।