রায়পুরে ছাত্রদল নেতা হত্যার দুই ঘাতক তিন দিনের রিমান্ডে

লক্ষীপুরের রায়পুরে ছাত্রদল নেতা রোমান হত্যার দুই ঘাতককে সোমবার (২২ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনদিনের রিমান্ডে এনেছে থানা পুলিশ। অন্য ৬ আসামী পলাতক থাকায় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে পারেনি।
সোমবার (৮এপ্রিল) দুপুরে নিহত ছাত্রদল নেতার ছোট ভাই ইমরান হোসেন সৈকত বাদি হয়ে থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরো ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
রিমান্ডে আনা আসামীরা হল- উপজেলার উত্তরচরপাতা গ্রামের মোহাম্মদ উল্লার ছেলে ইসমাইল হোসেন মিলন ও জয়নাল মিয়ার ছেলে কামরুল হাসান হৃদয়।
মামলার বাদি ইমরান হোসেন সৈকত বলেন, আমাকে মারধর করার প্রতিবাদ করতে গিয়ে বড় ভাইকে জীবন দিতে হয়েছে। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তারা নৃশংসভাবে গলাতে কুপিয়ে চুরি ডুকিয়ে দেয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও রায়পুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইকবাল হোসেন বলেন, নিহতের ছোট ভাই ৮ জনসহ অজ্ঞাত আরো ৬ জনকে আসামী করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযান চালিয়ে ওই রাতেই ঘটনায় জড়িত দুই যুবককে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে আজ সোমবার বিকেল ৩টায় আরো তথ্য উদঘাটনের জন্য তিনদিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৭ এপ্রিল রাতে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত রোমানের ভাই ইমরান হোসেন সৈকতের সঙ্গে উত্তরচরপাতা গ্রামের রনি, তামিম, ফয়সালসহ কয়েক যুবক মারধর করে। এনিয়ে রোববার রাতে রোমান শাহাদাত, রবিন, রিয়াদ, ইসমাইল হোসেন, কামরুল হাসানসহ কয়েক যুবকের কাছে মারধরের কারণ জানতে চান। এ সময় তারা উত্তেজিত হয়ে ইউপি কার্যালয়ের সামনের সড়কে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রোমানকে উপর্যুপরি কুপিয়ে চলে যায়। এসময় তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। এতে তার গলা ও বাহুসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ৭/৮টি কোপের চিহ্ন রয়েছে।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।