মিছিল,বিষ্ফোরণ,সংঘর্ষ ও গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে সারাদেশে হরতাল পালিত

জামায়াতে ইসলামীর ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ আর পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও গ্রেপ্তারের মধ্যদিয়ে পালিত । দেশব্যাপী গণগ্রেপ্তার, গণনির্যাতন, জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করার সরকারি ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের প্রতিবাদে সোমবার দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেয় জামায়াত। হরতালের সমর্থনে সকাল থেকে রাজধানীর লালবাগ, বংশাল, রায়েরবাগ, নবীনগর, যাত্রাবাড়ী ও বাবুবাজার এলাকায় মিছিল করে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা।

রায়েরবাগের পূনম সিনেমা হলের সামনে গাছের গুড়ি ফেলে ও রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করে শিবিরকর্মীরা। এ সময় বেশ কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করে তারা।

এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। পুলিশও পিকেটারদের লক্ষ্য করে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করলে শিবিরকর্মীরা সেখান থেকে সরে যায়।

রাজধানীর মিটফোর্ড এলাকায় হরতাল সমর্থনে মিছিল বের করলে পুলিশ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের ধাওয়া দেয়। সেখান থেকে পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ।

এছাড়া, গোপীবাগ ও কমলাপুর এলাকায় হরতাল সমর্থনে মিছিল করেছে জামায়াত-শিবির কর্মীরা। তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, হরতালে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সড়কে অবস্থান নিয়েছে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। এছাড়া সড়কে টহল অব্যাহত রেখেছে পুলিশ ও র‌্যাব।

হরতালের নগরীর অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ। অফিস-আদালত ও ব্যাংক-বিমা খোলা থাকলেও উপস্থিতি কম। সীমিত পরিমাণে গণপরিবহন চললে ব্যক্তিগত গাড়ি নেই বললেই চলে। তবে হিউম্যান হলার, অটোরিকশা ও রিকশার চলাচল করতে দেখা গেছে।

দেশের অন্যান্য জেলা-উপজেলায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও গ্রেপ্তারের মধ্যদিয়ে পালিত হচ্ছে হরতাল। তবে নির্বাচন থাকায় রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও বরিশাল মহানগরী হরতালের আওতামুক্ত রয়েছে।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।