মেহেরপুরে জামায়াত-পুলিশ সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ জামায়াতকর্মীর মৃত্যু

মেহেরপুরে পুলিশের গুলিতে আহত জামায়াত কর্মী দেলোয়ার হোসেন মারা গেছেন। বেলা পৌনে ১১টায় তাকে মেহেরপুর থেকে রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান।

বৃহস্পতিবার সকালে হরতালের দ্বিতীয় দিনে সড়ক অবরোধকালে মুজিবনগরে জামায়াত ও শিবিরকর্মীর সঙ্গে পুলশের সংঘর্ষ হয়। এসময় পুলিশের গুলিতে আট জামায়াত-শিবিরকর্মী আহত হয়।সংঘর্ষে পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

গুলিবিদ্ধ আট জনের মধ্যে দেলোয়ারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান।

সংঘর্ষে পুলিশের রিকুইজিশন করা একটি পিকআপ ভ্যানও পুড়িয়ে দিয়েছে অবরোধকারীরা। বৃহস্পতিবার সকালে মুজিবনগর উপজেলার গৌরীনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- এসআই মান্নান, কনস্টেবল আবদুল হালিম, খাইরুল ইসলাম, মাজহারুল ইসলাম ও মিরুল আলীম। এদের মধ্যে মান্নানের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আহত জামায়াত ও শিবিরকর্মীরা হলেন আক্তারুজ্জামান, রাফিউল ইসলাম, সুমন আলী, সুলতান আহম্মেদ, মানিক, নোমান, দেলোয়ার হোসেন ও মোজাম্মেল হোসেন। এদের মধ্যে দেলোয়ারের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহত পুলিশ সদস্যদের মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে আহত জামায়াত-শিবিরকর্মীরা বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামায়াতের ডাকা হরতাল সফল করতে ভোর পাঁচটা থেকে মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা সড়কের রাজনগর, মেহেরপুর-মুজিবনগর সড়কের গৌরীনগর, মেহেরপুর-কাথুলি সড়কের কায়েমকাটা মোড়সহ বিভিন্ন সড়কে সড়ক অবরোধ করে জামায়াত-শিবিরকর্মীরা।

এ সময় গৌরীনগরে পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে তাদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় জামায়াত-শিবিরকর্মীরা পিটিয়ে পাঁচ পুলিশ সদস্যকে আহত করে। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ গুলি চালালে ছয় শিবিরকর্মী ও দুই জামায়াতকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়।

মেহেরপুর পুলিশ সুপার পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে বলেন, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবি মোতায়েনের জন্য আবেদন করা হয়েছে।”


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।