ঈদের পর সরকার উৎখাতের খালেদার ঘোষণা

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন জালেম সরকারের নির্যাতন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঈদের পর গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার হবে।

 
সোমবার রাজধানীর পূর্বানী হোটেলে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

 
দেশ মহাসংকটে মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, জোর করে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে লুটপাট আর গুম-খুন ও সন্ত্রাস চালাচ্ছে। তাদের অত্যাচার-নিপীড়নে জনজীবন আজ অতিষ্ঠ।

 
তিনি বলেন, ‘বর্তমান জালিম ও অত্যাচারী সরকারকে উৎখাতে আন্দোলনের বিকল্প নেই। তাই দেশবাসীকে বলবো এই সরকারকে উৎখাত করতে ঈদের পর ঐক্যবদ্ধ গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলুন।’

 
এর আগে খালেদা জিয়া সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ইফতার মাহফিলে উপস্থিত হন। এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় করেন।

 
জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধানের সভাপতিত্বে এতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, এম কে আনোয়ার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, হান্নান শাহ, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল-নোমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, জাতীয় পার্টির (জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামান হায়দার, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী, খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যাপক মওলানা মো. ইসহাক, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বীর প্রতীক, এনপিপির চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্তজা, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মবিন, পিপলস লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট গরীবে নেওয়াজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া অন্যদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. পিয়াস করিম, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবদাল আহমেদসহ বিশিষ্ট নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।