ট্রাইব্যুনালের প্রত্যেকটি রায় কার্যকর করা ঘোষনা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেয়া প্রত্যেকটি রায় কার্যকর করা হবে। জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে সোমবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা মো. কামারুজ্জামানের আপিলে তার মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত রায় হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই মাটিতে সব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে, এটা আমার ওয়াদা। বিচারের রায় যা হয়েছে, ইতোমধ্যে একটি কার্যকর করা হয়েছে। যেসব রায় হবে তার প্রত্যেকটি রায় বাংলার মাটিতে কার্যকর করবো, ইনশাল্লাহ।’

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় কার্যকর নিয়েও অনেকে হুমকি মোকাবেলা করতে হয়েছিল। সে রকমই সব প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে যুদ্ধাপরাধের রায় কার্যকর করা হবে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতা দখল করে জেনারেল জিয়াউর রহমান এবং এইচএম এরশাদ বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় চার নেতার হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করেছে। বিভিন্ন দূতাবাসে তাদের চাকরি দেয়া হয়।

 

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে আরো এক ধাপ এগিয়ে যুদ্ধাপরাধী খুনি ও ধর্ষণকারী নিজামী ও মুজাহিদকে মন্ত্রী বানায়। স্বাধীনতার চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করেছেন।

 

শেখ হাসিনা বলেন, জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের অবস্থা হয়েছে ব্যাঙ-গেলা সাপের মতো। তিনি হজমও করতে পারছেন না, আবার বেরও করতে পারছেন না। জামায়াতের পক্ষেও তিনি কিছু বলতে পারছে না আবার বিপক্ষে যেতে পারছেন না।

 

তিনি বলেন, ‘আপনি (খালেদা) আন্দোলনের কথা বলছেন, আন্দোলন করেন। তবে জঙ্গিবাদী এবং যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গ ছাড়ুন। বাংলার মাটিতে আর যুদ্ধাপরাধীদের ঠাঁই হবে না।’

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।