খালেদার কার্যালয়ের সামনে ডিএমপির লাইভ ক্যামেরা, নিরাপত্তা আরো জোরদার

আবারো খুলে দেয়া হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের প্রধান ফটকের তালা। তবে কার্যালয়ের আশেপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি বসানো হয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লাইভ ক্যামেরা।

শনিবার রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আবারো তালা লাগিয়েছিল পুলিশ। তবে রোববার সকাল দেখা যায় গুলশান কার্যালয়ের গেইটে কোনো তালা নেই। রাতের কোনো এক সময়ে তালা খুলে দেয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

এদিকে, সকাল সাড়ে ৯টায় খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের সামনে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারের লাইভ ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সার্বিক চিত্র ও তথ্য সরাসরি জানানো হচ্ছে ডিএমপির সদর দফতরকে।

এছাড়া, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনের সড়কের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে অন্যদিনের তুলনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে পুলিশের সদস্য সংখ্যা। আনা হয়েছে দাঙ্গা পুলিশ। লোকজন চলাচলের ক্ষেত্রে আরোপ করা হয়েছে কড়াকড়ি। কেবল আবাসিক ভবনের বাসিন্দা ও পরিচয়পত্র দেখিয়ে সংবাদকর্মীরাই খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের সামনের সড়ক দিয়ে চলাচল এবং অবস্থান করতে পারছেন। অন্যদিকে, গুলশান ও বারিধারার আবাসিক এলাকা ও কূটনীতিপাড়ার সব প্রবেশ মুখে কড়া পুলিশ পাহারা বসানো হয়েছে।

রোববার সকাল থেকেই বারিধারা ডিওএইচএস, বনানী, হাতিরঝিল, নতুন বাজার, নর্দা-কালাচাঁদপুরসহ গুলশানে ঢোকার সব পথে মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল, সিএনজি অটোরিকশা, রিকশা, রিকশা ভ্যান, কাভার্ড ভ্যান নিয়ে প্রবেশ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৩ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে গুলশান কার্যালয়ে আসেন বেগম খালেদা জিয়া। সেদিন তিনি দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে দেখার জন্য নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যেতে চাইলে পুলিশ তাকে বাধা দেয়। পর দিন রোববার পুলিশ এই কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা দেয়।

 

একই সঙ্গে কার্যালয়ের সামনে বিপুল পুলিশ মোতায়েন এবং রাস্তায় ইট, বালু ও মাটিভর্তি ১১টি ট্রাক দিয়ে চলাচলের পথ বন্ধ করে দেয়া হয়। ৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে কালো পতাকা মিছিল কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার উদ্দেশ্যে বের হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ পিপার স্প্রে করে। এরপর থেকে বেগম খালেদা জিয়া কার্যালয়েই আছেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।