রবিবার থেকে সারাদেশে ৭২ ঘণ্টার হরতাল

 বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট অবরোধের পাশাপাশি রবিবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশব্যাপী ৭২ ঘণ্টার হরতাল ডেকেছে। শনিবার দুপুরে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এবং কার্যত জোটের  মুখপাত্র সালাহ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ হরতালের ঘোষণা দেয়া হয়। ৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া লাগাতার অবরোধের পাশাপাশি এ নিয়ে সাতবার হরতাল ডাকল ২০ দলীয় জোট।

এবারের হরতাল ডাকার কারণ ব্যাখ্যা করে বিবৃতিতে সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে, দেশব্যাপী ক্রসফায়ারের মাধ্যমে অসংখ্য নেতাকর্মীকে হত্যা ও গুলি করে পঙ্গু ও আহত করার প্রতিবাদে, দেশব্যাপী বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীসহ নিরীহ জনগণকে গণগ্রেপ্তারের প্রতিবাদে, জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে, বিচার ব্যবস্থায় হসক্ষেপ ও কুক্ষিগতকরণের প্রতিবাদে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অভুক্ত রেখে হত্যার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে, সাংবাদিক নির্যাতন ও সংবাদ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণের প্রতিবাদে, জনগণের মৌলিক ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে, অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও সকল রাজবন্দীর মুক্তির দাবিতে ২০ দলীয় জোটের উদ্যোগে চলমান অবরোধ কর্মসূচির পাশাপাশি পুনরায় আগামীকাল রবিবার সকাল ৬ টা থেকে বুধবার সকাল ৬ টা পর্যনত্ম দেশব্যাপী সর্বাত্মক হরতাল পালিত হবে।’

 

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘চলমান অবরোধ কর্মসূচির পাশাপাশি ঘোষিত ৭২ ঘণ্টার হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ দেশবাসীকে ২০ দলীয় জোট নেতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।’

 

 

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের শতকরা ৯০ ভাগ জনগণ নির্দলীয় সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন চায়। প্রকৃত জনগণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থাই রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে। সমগ্র জাতি আজ সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামে লিপ্ত। জনগণের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে উপনীত প্রায়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।