বন্যায় খাদ্য ঘাটতি মোকাবিলা করতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ করা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও নিশ্চিত করেছেন ঘনঘন বন্যার কবলে পড়লেও এ বছর ঘাটতি মোকাবিলা করতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ করা হচ্ছে  ।

রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় পুষ্টি পরিষদের প্রথম সভায় একথা বলেন তিনি। শুধু নীতিমালায় আটকে না থেকে ‘পুষ্টি সম্পর্কে’ জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদেরসব সময় হিসাব রাখতে হয়, আমাদের দেশে বন্যা-খরা বা জলোচ্ছ্বাস—যেকোনো দুর্যোগ দেখা দিতে পারে। যেমন এবারে আমাদের আগাম বন্যায় অনেক ফসল নষ্ট হয়েছে। আর বাংলাদেশে এ বছর আমরা আমাদের যেটা একটা ধারণা যে আবার বন্যা আসতে পারে। এবং ব্যাপক বন্যা যদি হয়, আমাদের খাদ্য হয়তো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণের জন্য এ সমস্যা যাতে না হয়, এরই মধ্যে আমরা কিন্তু খাদ্য বাইরের থেকে ক্রয় করে মজুদ রাখার জন্য ইতোমধ্যে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। আগাম আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি কেন? মানুষের খাদ্য চাহিদাটা যেন পূরণ হয়।”

দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখন মানুষের সুষম পুষ্টি নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে সরকার। তবে শুধু নীতিমালা দিয়ে নয়, খাদ্য সম্পর্কে আধুনিক জ্ঞান ও পর্যাপ্ত সচেতনতার মাধ্যমেই পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব।”

এ বিষয়ে গ্রামের মানুষের প্রতি খেয়াল রাখার, প্রয়োজনে বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।

এ সময় বিএনপির নেতাদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশি সাহায্য কমে যাবে এমন দোহাই দিয়ে, দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার বিরোধিতা করেছিল তারা।