জাফর ইকবালের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজখবর নিতে সিএমএইচ’এ প্রধানমন্ত্রী

দুর্বৃত্তের হামলায় আহত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার বেলা সাড়ে ১২টার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন জাফর ইকবালকে দেখতে যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে চিকিৎসকরা স্বাগত জানান। চিকিৎসকদের কাছে তিনি ড. জাফর ইকবালের চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী জাফর ইকবালের শয্যাপাশে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন। পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তার চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যেতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক এ সম্পর্কে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সেখানে সাড়ে ১২টার দিকে গিয়েছিলেন। একান্তে কথা বলেছেন প্রায় ২০-২৫ মিনিট। চিকিৎসকদের সঙ্গেও তিনি কথা বলেছেন। চিকিৎসার খোঁজ-খবর নিয়েছেন। ১টার পর বের হয়েছেন। জাফর ইকবালের স্ত্রী অধ্যাপক ইয়াসমিন হক এবং মেয়ে ইয়েশিম ইকবালও এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন।’


জাফর ইকবালের স্ত্রী ড. ইয়াসমিন হক ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

এসময় স্ত্রী ড. ইয়াসমিন হক জানান, ‘জাফর ইকবাল সুস্থতার পথে রয়েছেন। কিছুদিনের মধ্যেই বাসায় যেতে পারবেন। তখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানেও যেন পূর্ণ বিশ্রামে থাকেন জাফর ইকবাল।’

গত ৩ মার্চ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চে বিকালে ইলেট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ফেস্টিভাল চলাকালে ড. জাফর ইকবালের ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালায় ফয়জুর রহমান ফয়জুল নামে এক তরুণ। হামলার পরই জাফর ইকবালকে নেয়া হয় সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ওই দিন রাতেই তাকে সিএমএইচে নিয়ে আসা হয়। জাফর ইকবালের চিকিৎসার জন্য বশস্ত্র বাহিনীর চিফ কার্ডিয়াক সার্জন মেজর জেনারেল মুন্সী মোহাম্মদ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।