জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদার জামিন বহাল রেখে মামলাটি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়েছে চেম্বার জজ আদালত

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি’র চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে দুদকের আবেদন শুনানি শেষে জামিন বহাল রেখে অধিকতর শুনানির জন্য পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়েছে চেম্বার জজ আদালত।মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে শুনানি শেষে চেম্বার জজ আদালত এই আদেশ দেন। পূণাঙ্গ বেঞ্চের শুনানিটি বুধবার অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

 

এর আগে মঙ্গলবার সকালে জামিন স্থগিত চেয়ে দুদকের আবেদনের এক ঘণ্টার ব্যবধানে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৃথক আবেদন করে। দুটি আবেদনই দুপুরে চেম্বার বিচারপতির আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

মঙ্গলবার সকালে দুদকের কৌঁসুলি খুরশীদ আলম খান বলেন, খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করা হয়েছে। দুপুরে চেম্বার বিচারপতির আদালতে আবেদনটি উপস্থাপন করা হয়।

এদিকে জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের পৃথক আবেদন করার কথা জানান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একরামুল হক। তিনি জানান, দুপুর দেড়টায় চেম্বার বিচারপতির আদালতে তা উপস্থাপন করা হয়।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়াকে বয়স ও শারীরিক অসুস্থতা বিবেচনায় সোমবার (১২ মার্চ) চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ জামিনের এই আদেশ দেন।

সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি’র চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানসহ মামলার অপর পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চার আসামি হলেন সাবেক মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, সাবেক সাংসদ ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের ভাগনে মমিনুর রহমান। এর মধ্যে তারেক রহমান, কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান পলাতক।