খালেদার জিয়ার চ্যারিট্যাবল মামলায় হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

খালেদার জিয়ার চ্যারিট্যাবল মামলায় হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল



নিউজ ডেস্ক, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিট্যাবল ট্রাস্ট মামলার কার্যক্রম বিচারিক আদালতে চলবে হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

বৃহস্পতিবার তিনি এই আপিল করেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার রাজধানীর নাজিমউদ্দন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকা ৫ নং বিশেষ আদালতের জজ আখতারুজ্জামান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ের তারিখ আগামী ২৯ অক্টোবর ধার্য করেন। ওইদিন পর্যন্ত এ মামলায় জামিনে থাকবেন বেগম জিয়া।

এরও আগে রবিবার কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচার চালানোর সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে তার করা রিভিশন আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

 

গত ২৭ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে চ্যারিটেবল মামলার বিচারকাজ চলমান রাখার নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় একটি আবেদন দাখিল করা হয়।

 

এ মামলায় খালেদা জিয়া ছাড়াও অন্য আসামীরা হলেন, সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন সহকারী একান্ত সচিব (বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক) জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। মামলায় হারিছ চৌধুরী পলাতক।

 

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। আগামী ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত কারাবন্দি সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর জামিন বাড়িয়েছিলেন হাইকোর্ট।

 

গত ১২ মার্চ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট। পরে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সময়ে সময়ে জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। কিন্তু অন্যান্য মামলায় জামিন না পাওয়ায় এখনও কারাগারে রয়েছেন খালেদা জিয়া।

 

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার এক রায়ে খালেদা জিয়াকে ৫ বছর কারাদণ্ড দেন রাজধানীর পুরান ঢাকার বকশীবাজারে অস্থায়ী ঢাকার ৫ নং বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামানের আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। নানা রোগে আক্তান্ত হওয়ায় বর্তমানে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।বৃহস্পতিবার তিনি এই আপিল করেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

 

এর আগে মঙ্গলবার রাজধানীর নাজিমউদ্দন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকা ৫ নং বিশেষ আদালতের জজ আখতারুজ্জামান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ের তারিখ আগামী ২৯ অক্টোবর ধার্য করেন। ওইদিন পর্যন্ত এ মামলায় জামিনে থাকবেন বেগম জিয়া।

 

এরও আগে রবিবার কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচার চালানোর সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে তার করা রিভিশন আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

 

গত ২৭ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে চ্যারিটেবল মামলার বিচারকাজ চলমান রাখার নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় একটি আবেদন দাখিল করা হয়।

 

এ মামলায় খালেদা জিয়া ছাড়াও অন্য আসামীরা হলেন, সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন সহকারী একান্ত সচিব (বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক) জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। মামলায় হারিছ চৌধুরী পলাতক।

 

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। আগামী ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত কারাবন্দি সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর জামিন বাড়িয়েছিলেন হাইকোর্ট।

 

গত ১২ মার্চ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট। পরে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সময়ে সময়ে জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। কিন্তু অন্যান্য মামলায় জামিন না পাওয়ায় এখনও কারাগারে রয়েছেন খালেদা জিয়া।

 

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার এক রায়ে খালেদা জিয়াকে ৫ বছর কারাদণ্ড দেন রাজধানীর পুরান ঢাকার বকশীবাজারে অস্থায়ী ঢাকার ৫ নং বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামানের আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। নানা রোগে আক্তান্ত হওয়ায় বর্তমানে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর

পূর্বের সংবাদ