আবারও সংলাপ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেবে ঐক্যফ্রন্ট, এবার মুখপাত্র মির্জা ফখরুল

স্বল্প পরিসরে আবারও সংলাপ চেয়ে রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দেবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আর এখন থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র হিসেবেদায়িত্ব পালন করবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা আ স ম আব্দুর রব।

একই দিন বিকেলে শনিবার রাজধানীতে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের এক আলোচনায় ড. কামাল হোসেন বলেন, জাতীয় ঐক্যকে আরো সুসংহত করে জনগণের ক্ষমতা তাদের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে ।

তিনি বলেন, চলমান অপশাসন দীর্ঘায়িত করার ষড়যন্ত্র চলছে। সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করা হয়েছে।

এদিকে, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিবে কিনা তা আগামী ৫ নভেম্বর দুপুরের মধ্যে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন দলের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী।

অনুষ্ঠানে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আসুন, এই ঐক্যকে আমরা আরো সুসংহত করি। এখনো যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব আমাদের মাঝে আছেন, সবাইকে নিয়ে ইনশাল্লাহ আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলব।

এদিকে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আরেক নেতা নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না অনুষ্ঠানে বলেন, চলমান রাজনৈতিক সংকট সমাধানে আবারো সরকারের সঙ্গে কথা বলতে চায় ঐক্যফ্রন্ট। তিনি বলেন, ‘সমাধান করতে চায় না। যেকোনো প্রকারে ক্ষমতায় থাকতে চায়। এই সংলাপ দেখেছেন কেন? যখন মানুষ এই রকম করে জেগে উঠেছে, তখন জাগ্রত জনতার ওপর একটা নিরাশার পানি ছিটিয়ে দেওয়ার জন্য সংলাপ ডেকেছে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মোহসীন মন্টু, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর আহমেদ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

এর আগে শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংলাপ শেষ হওয়ার পর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে এই চিঠি নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্ট এক শীর্ষ নেতা।

এর আগে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেছিলেন, সংলাপ শেষ না হওয়ায় পর্যন্ত যেন তফসিল ঘোষণা করা না হয়, সে জন্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হচ্ছে। সংলাপ শেষ হলে যেন তফসিল ঘোষণা করা হয়, সে বিষয়টি চিঠি উল্লেখ করা হয়েছে।