জয়ী প্রার্থীরা শপথ না নিলে আসন শূন্য থাকবে: ইসি সচিব

সংসদ অধিবেশনের ৯০ দিনের মধ্যের শপথ না নিলে সেই আসন শূন্য হবে। এরই মধ্যে কিছু দল নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা কিছু আসনে জয়ী হয়েছে। কিন্তু তারা শপথ না নিলে সে আসন শূন্য থাকবে। জানালেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।   বুধবার নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিকদের এক আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট একাদশ নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে ফের ভোটের দাবি জানিয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইতোমধ্যে সে দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, পুনরায় নির্বাচন করা সম্ভব নয়। এই অবস্থায় বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা শপথ নিয়ে সংসদে বসবেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এ নিয়ে বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ করে সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হয়েছে।

অধিবেশন শুরু হওয়ার নব্বই দিনের মধ্যে কেউ শপথ না নিলে সংশ্লিষ্ট আসনকে শূন্য ঘোষণা করবেন স্পিকার। তিনি বলেন, গেজেট প্রকাশের ৩ দিনের মধ্যে শপথ নিতে হবে। শপথ গ্রহণের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অধিবেশন বসবে। অধিবেশন শুরু ৯০ দিনের মধ্যে শপথ নেয়া সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে কেউ যদি শপথ নিতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে অযোগ্য বলে গণ্য করবেন স্পিকার। গত ৩০ ডিসেম্বর ২৯৯ আসনে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গাইবান্ধা-৩ আসনে এক প্রার্থী মৃত্যুর কারণে সেখানে ২৭ জানুয়ারি ভোট হবে। আর ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে তিনটি স্থগিত কেন্দ্রের ভোট ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। অবশিষ্ট ২৯৮ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৫৯টি, জাতীয় পার্টি ২০টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ ২টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ৩টি, জাতীয় পার্টি-জেপি ১টি, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন ২টি এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ দুই অংশ ২টি করে আসন পেয়েছে। আর সবমিলিয়ে মাত্র ৭টি আসনে জয় পেয়েছে ধানের শীষের তথা ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা।