মহররমের ১০ তারিখ পবিত্র আশুরা। কেয়ামত হবে আশুরার ১০ তারিখে। সে দিনটি হবে শুক্রবার। - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

মহররমের ১০ তারিখ পবিত্র আশুরা। কেয়ামত হবে আশুরার ১০ তারিখে। সে দিনটি হবে শুক্রবার।



(খবর তরঙ্গ ডটকম)

নিউজ ডেস্ক,নভেম্বর ২৫ (খবর তরঙ্গ ডটকম)-বিশ্বজুড়ে এ সপ্তাহও কাটলো আনন্দ আর পরিতৃপ্তির মাধ্যমে। সব ধর্ম সচেতন মুসল্লীরা জুমআর সালাত আদায় করতে আযানের পর থেকেই আসতে শুরু করেন নিকটবর্তী মসজিদে। ইমাম শুরু করেন আরবী মাসের সাথে মিল রেখে ইসলামের ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য বয়ান। মন্ত্রের ন্যায় মুগ্ধ হয়ে শুনতে থাকেন মসজিদে আগত তিন প্রজন্মের নবীন ও প্রবীন। অনেকে সাথে করে নিয়ে আসেন আদরের শিশু সন্তানকে। উদ্দেশ্য একটাই- নিয়মিত আসার মাধ্যমে মসজিদে সালাতে অভ্যস্ত করার পাশাপাশি ধমীয় চেতনায় জীবনকে সাজিয়ে নেওয়া।

এ সপ্তাহের আলোচনায় ঢাকার স্থানীয় এক মসজিদের খতিব বলেন, মহররম মাসের ১০ তারিখ আশুরা মানে শুধুই হয়রত ইমাম হুসেনকে কারবালার প্রান্তরে হত্যা নয়। আল্লাহর পেয়ারী নবী রসূল (স) এর প্রিয় নাতিকে এ দিনে হত্যা করা হয়। এ দিনটি আমাদেরকে মর্মান্তিক ঘটনাটির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
এছাড়া এ দিনের ঘটনাবহুল তাতপর্যগুলো হচ্ছে:

* এ দিনে পৃথিবীতে প্রথম বৃষ্টিপাত হয় ।
* দীর্ঘ ৪০ দিনের বন্যার পর হযরত নূহ(আ) এর নোকা মাটিতে অবতরণ করে। পরম করুণাময় নতুনভাবে সৃষ্টিকে সাজিয়ে পৃথিবীর মানুষের বাসযোগ্য করে তোলেন।
* এ দিনে ফেরাউনকে নীলনদে ডুবিয়ে হত্যা করা হয়। হয়রত মূসা(আ) মানব জাতিকে ফেরাউনের নাফরমানী থেকে রক্ষা করতে করুণাময়ের নির্দেশে হাতের লাঠি দিয়ে মাটিতে আঘাত করলে নীল-নদের মধ্যে একটি রাস্তা তৈরী হয়। সে রাস্তায় শুধুমাত্র মূসা (আ) নিরাপদে নদী পার হন। আর ফেরাউন সমুদ্রের জলে নিপাতিত হয়।
* এ দিনেই কিয়ামত হবে। মহররম মাসের ১০ তারিখ শুক্রবার কেয়ামতের কথা হাদীস থেকে জানা যায়্।
* রসূল(স) আশুরা সম্পর্কে বলেন আমি যদি আগামী বছর এ দিনে বেচে থাকি তবে আশুরার ৯ এবং ১০ তারিখ রোজা রাখবো। কারণ তখন ইহুদিরাও রোজা রাখত। তাই এ নির্দেশনার কথা সাহাবায়ে কেরামের মাধ্যমে জানা যায়্।

ঘটনাবলীর বিস্তার আলোচনা ছাড়াও খতিব আরও বলেন, আরবী মাস হচ্ছে মুসলমানদের বিজয়ের মাস। বিশ্বের মুসলমানেরা আরবী বর্ষকে সানন্দে বরণ করে নেয়। খ্রিষ্টিয় গণণা অনুযায়ী ইংরেজি খ্রিষ্টাব্দ বরণের পশ্চিমা সংস্কৃতিকে বর্জন করতে বিশ্বব্যাপী ওলামাদের সমর্থনের কারণকে-ও তিনি বিস্তারিত ব্যাখা করেন।
এছাড়া সদাচরণ সম্পর্কে বলেন, নবীজী (স) এর একটি হাদীসে আছে- তোমরা যদি আতর বিক্রেতার কাছে যাও তার কাছ থেকে যদি আতর না-ও কেন তোমরা আতরের সুগ্রাণ পাবে। তেমনি যদি সদাচারি ব্যক্তির সংস্পর্শে আস তার সদাচারের দ্যুতি তোমার ভেতর ও প্রবেশ করবে। ভেতর থেকেই শুরু হবে তোমার আচরণগত পরিবর্তন।


পূর্বের সংবাদ
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০