লড়াই করেই হারল বাংলাদেশ পারল না

বাংলাদেশ তবে লড়াই করেই হারল। আশা জাগিয়েও শেষ দিকে দুই বলে দুইটি ইউকেট হারিয়েই আশার ভেলা ডুবে যায় । মুমিনুল শুধু রানের ব্যাবধানই কমিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ১৭ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ।

টি-টোয়েন্টি ম্যাচে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ঝড়ো সূচনা করেছিলেন দুই লঙ্কান ওপেনার জানিথ পেরেরা ও দিলশান মুনাবীরা। প্রথম তিন ওভারের মধ্যে তারা সংগ্রহ করেন ৩২ রান। তৃতীয় ওভারে মুনাবীরাকে সাজঘরে পাঠিয়ে বাংলাদেশ শিবিরে কিছুটা স্বস্তি ফেরান সোহাগ গাজী।

তবে এরপর আবারও বাংলাদেশী বোলারদের নাজেহাল করে দেন জানিথ পেরেরা ও দিনেশ চান্দিমাল। দ্বিতীয় উইকেটে ৪৫ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটসম্যান। অষ্টম ওভারে সফলতার দেখা পান আব্দুর রাজ্জাক। তার শিকারে পরিণত হয়ে ফিরে যান চান্দিমাল।

পরের ওভারে থিরিমানেও আউট হন রানআউটের ফাঁদে পড়ে। ১২তম ওভারে বহুকাঙ্ক্ষিত জানিথ পেরেরার উইকেটটি তুলে নেন মাহমুদুল্লাহ। ৪৫ বলে ৬৪ রানের দুর্দান্ত এক ঝড়ো ইনিংস খেলে ফিরে যান এই বামহাতি ওপেনার। এরপর রানের গতি খানিকটা কমে যায় শ্রীলঙ্কার। কিন্তু পঞ্চম উইকেটে ৬৬ রানের ঝড়ো জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ও জীবন মেন্ডিস।

এই রান তারা করেন মাত্র ৩৫ বলে। ১৮তম ওভারে আউট হন মেন্ডিস। তার আগে তিনি খেলেন ১৭ বলে ৩৭ রানের ঝড়ো ইনিংস। ৭ বলে ২২ রান করে শেষপর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন থিসারা পেরেরা।

জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছে বিপিএলে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখানো ব্যাটসম্যান শামসুর রহমানের। দলে জায়গা হয়নি ওয়ানডে সিরিজে ব্যাট হাতে জোড়া শূন্যের অধিকারী, টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট হিসেবে পরিচিত জিয়াউর রহমান। শাহাদাতের পাশাপাশি দ্বিতীয় পেসার হিসেবে খেলছেন রুবেল হোসেন।

শ্রীলঙ্কা দলটি অবশ্য একটু নতুন চেহারারই। খেলছেন না তিলকরত্নে দিলশান ও কুমার সাঙ্গাকারা। নতুন মুখ অ্যাঞ্জেলো পেরেরা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।