কালই সিরিজ নিশ্চিত করতে চায় বাংলাদেশ

সফরকারী বাংলাদেশ স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচ ১২১ রানের বড় ব্যবধানে জিতেছে । তাই আগামীকাল দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজ জয়টা নিশ্চিত করতে চাচ্ছে টাইগাররা।  অন্যদিকে, সিরিজে টিকে থাকার জন্য দ্বিতীয় ম্যাচ জয়ই প্রধান লক্ষ্য জিম্বাবুয়ের। বুলাওয়েতে বাংলাদেশ সময় দুপুর একটায় শুরু হবে খেলাটি।  হার দিয়ে টেস্ট সিরিজের যাত্রাটা শুরু করলেও ওয়ানডেতে দুর্দান্ত শুরু করে বাংলাদেশ। ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে জিম্বাবুয়েকে ধরাশায়ী করে টাইগাররা।

তাই এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে চাইছে বাংলাদেশ। আর তা যদি করতে পারে তবে ২০০৯ সালের পর ফের জিম্বাবুয়ের মাটিতে সিরিজ জয়ের কৃতিত্ব দেখাবে তারা।  এর আগে প্রতিপক্ষের মাটিতে দু’বার সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০০৭ ও ২০০৯ সালে। তাই আরও একটি সিরিজ পকেটে ভরতে চাইছে টাইগাররা।

সেই লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে নামছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচের একাদশই অব্যাহত রেখে মাঠে নামবে টাইগাররা। তবে প্রথম ম্যাচের মতই বেশ সর্তক তারা। টেস্ট সিরিজ জিততে না পারলেও ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া মুশফিকুর-নাসির-আশরাফুলরা।

তবে বাংলাদেশের জন্য দ্বিতীয় ম্যাচটি জয় খুব বেশি সহজ হবে না। কারণ দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে জিম্বাবুয়ের। প্রথম ম্যাচে ভুলগুলো দ্বিতীয় না করাই প্রধান লক্ষ্য জিম্বাবুয়ের। প্রথম ম্যাচে বোলাররা যেমন খারাপ করেছে, ঠিক তেমনি ব্যাটসম্যানরাও। তাই দলের খেলোয়াড়দের উপর খুবই চটেছেন অধিনায়ক ব্রেন্ডন টেইলর।

তিনি বলেন, ‘গত দুই-তিন মাস যাবৎ একই কথা ব্যাটসম্যান ও বোলারদের বলা হচ্ছে। কিন্তু তারপরও তারা নিজেদের ব্যাপারে মোটেও খুব বেশি সিরিয়াস না। ব্যাটসম্যানদের বলা হচ্ছে- সোজা ব্যাটে খেলার জন্য। কিন্তু তা করতে পারছে না তারা। আর বোলারদেরও বলা হচ্ছে, উইকেট নেয়ার চিন্তা কম করে বলের লাইন-লেন্থ বজায় রাখা। কিন্তু তাদেরও একই অবস্থা। দলের সেরা দুই বিভাগই যদি একসাথে খারাপ খেলে তবে কি ম্যাচ জয় সম্ভব।’

নিজ দলের খেলোয়াড়দের প্রতি রাগ ঝড়লেও বাংলাদেশ দলের প্রশংসা করে টেইলর বলেন, ‘প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বোলাররা দারুণ বল করেছে। তাদের বেশিরভাগই বলই ছিল উইকেট বরাবর। শুরুর দিকে শফিউল ও পরে জিয়াউর রহমানই সব শেষ করে দেয়।’

এখন পর্যন্ত দু’দল মোট ৫৭ বার মুখোমুখি হয়েছে ওয়ানডেতে। এরমধ্যে জয়ের পাল্লা ভারী বাংলাদেশেরই। ৩১ ম্যাচে বাংলাদেশ ও ২৬ ম্যাচে জয়ের স্বাদ পায় জিম্বাবুয়ে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।