অবিশ্বাস্য জয়ে আবারো বিশ্বসেরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস্য এক জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ইংলিশদের ৪ উইকেটে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় ক্যারিবীয়রা।

 

চরম উত্তেজনায় ঠাসা ম্যাচে শেষ ছয় বলে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের দরকার ছিল ১৯ রান। কিন্তু প্রায় অসম্ভব সেই কাজ দুই বল বাকি থাকতে সম্ভব করেন ক্যারিবীয় দানবদের নতুন সদস্য কার্লোস বার্থওয়েট। বেন স্টোকসের করা ওভারের প্রথম চার বলে টানা চারটি ছক্কা হাঁকান তিনি।

 

প্রথমে ঢাকায় অনুর্ধ-১৯ বিশ্বকাপ জয়। আজ বিকেলে কলকাতায় প্রথমে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি আর রাতে ছেলেদের টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন। ক্যারিবীয় ক্রিকেটের পুনর্জাগরণ!

 

প্রথম ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৫৫ রান করে ইংল্যান্ড। ফাইনালে ইংল্যান্ডকে দেড়শ রানের ঘরে আটকানোর পর ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই জনসন চালর্স আউট হন। জো রুটের বল রুটের উঠিয়ে মারতে গিয়ে স্টোকসকে ক্যাচ দেন চালর্স।

 

এর পরের বলে পয়েন্ট দিয়ে চার মেরে লড়াইয়ের আভাস দিয়ে রাখেন গেইল। তবে পরের বলেই আবার স্টোকসের ক্যাচে গেইলকে আউট করেন সেই রুট। গেইলের পর সাজঘরে ফিরে যান ভারতকে হারানোর অন্যতম নায়ক লেন্ডন সিমন্স।

 

২৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুকতে থাকে ক্যারিবীয়রা। সেখান থেকে ৭৫ রানের জুটি গড়ে দলকে কক্ষপথে ফেরান মারলন স্যামুয়েলস ও ডোয়াইন ব্রাভো। ২৫ রান করে ব্রাভো ফেরার পর দ্রুতই সাজঘরমুখী হন আন্দ্রে রাসেল (২) ও ড্যারেন স্যামি (২)।

 

তবে অন্যদের আসা-যাওয়ার মাঝেও একপ্রান্ত আগলে খেলতে থাকেন স্যামুয়েলস। কিন্তু শেষ দিকে বল রানের পার্থক্য বেড়ে জয় যখন হাতছাড়া প্রায়, তখন রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন বার্থওয়েট। শেষ চার বলে ২৪ সহ ১০ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তবে ৬৬ বলে অপরাজিত ৮৫ রান করে আসল কাজটি করেছেন স্যামুয়েলস।

 

ফাইনালের ম্যাচ সেরা সেই স্যামুয়েলস। ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত ফাইনালে লঙ্কানদের বিপক্ষে দলীয় ১৩৭ রানের মধ্যে একাই ৭৮ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন নীরবঘাতক।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।