কুমিল্লায় শিশু শ্রমিকের সংখ্যা বেড়ে গেছে

বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার ১৬টি থানা লাকসাম, নাঙ্গলকোট,  মনোহরগঞ্জ, দেবিদ্বার, চৌদ্দগ্রাম, বুড়িচং, মুরাদনগর, সদরদক্ষিন, আর্দশ সদর  কোতয়ালী), বরুড়া, মেঘনা, হোমনা, তিতাস, চান্দিনা, দাউদকান্দিসহ  সকল স্থানে সকল জায়গায় শিশু শ্রমিকের সংখ্যা দিন দিন আশংক্ষা জনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এসব শিশু শ্রমিকের বেশির ভাগই নিয়োজিত খুবই ঝুকিঁপূর্ন পেশায়। কচি কোমল হাতে তুলে নিচ্ছে হাতুড়ি কোদাল সহ ইত্যাদি। তাদের বয়স ৮ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে। এ বয়সে তাদের হাতে বই কলম খাতা শোভা পাওয়ার কথা। কিন্তু তারা আজ কঠিন জীবন সংগ্রামে। সব ধরনের কাজে এসব শিশু নিয়োজিত। হোটেল বয় থেকে শুরু করে রিকশা,ঠেলাগাড়ি,ভ্যান,টমটম,ভটভটি,নসিমন সহ বিভিন্ন যানবাহনের হেলপার পর্যন্ত নানা কাজ করতে দেখা যায়। অপ্রাপ্ত বয়সের ছেলে মেয়েরা ব্যাগ শিল্প,পাট শিল্প,ইটভাঙ্গা,ইটভাটা ইত্যাদিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে।

সিগেরেট কোম্পানী গুলোতেও শিশু শ্রমিক চোখে পড়ার মত।

তারা জোগালি,রাজমিস্ত্রি,ওয়েল্ডিং মেশিন চালানো সহ বিভিন্ন ঝুকিপূন কাজ করে যাচ্ছে জানা যায় এসব শিশু শ্রমিক অধিকাংশ পিতৃমাতৃ হীন কিংবা বিতাড়িত।এ অবস্থায় দুমুঠো খাবারের আশায় কঠিন পরিশ্রম করছে। আবার অনেক শিশু সংসারের হাল ধরার জন্য বিভিন্ন ঝুকিপূর্ন কাজে নিয়োজিত হচ্ছে। অল্প বেতনে পাওয়ার আশায় অপ্রাপ্ত বয়সের ছেলেমেয়েদের কর্তপক্ষ নিয়োগ করছে।বিভিন্ন দুর্ঘটনার শিকার হয়ে পঙ্গুত্ব বরন করছে অনেকেই।সর্বোপরি এসব শিশুকে মাদক ব্যবসায়ীরা অর্থের লোভ দেখিয়ে ব্যবহার করে আসছে। এহেন পরিস্তিতি অবসান ঘটিয়ে শিশুদের শিক্ষার মাধ্যমে আলোকিত করার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের ইচ্ছাই যথেষ্ট।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।