লক্ষ্মীপুরে দু’গ্রুপের গোলাগুলিতে, ইউপি চেয়ারম্যানসহ নিহত ২

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার জামিতলী এলাকায় বুধবার (১৫ মে) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে শামীম ও বাবুল বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও শামীম বাহিনীর প্রধান নূর হোসেন শামীমসহ (৩৫) দুই জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছে আরো ২৫ জন তাদের মধ্যে সাত জন গুলিবিদ্ধ।
সংঘর্ষস্থল থেকে শামীম বাহিনীর এক সদস্যসহ মোট ১০ জনকে পুলিশ অস্ত্রসহ আটক করেছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে শামীম ও লাদেন বাহিনী জোট হয়ে বাবুল বাহিনীর এলাকায় হামলা করে। এসময় সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষ চলাকালে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে ঘটনাস্থল পশ্চিম জামিতলীর দিনমজুর মোসলেহ উদ্দিন (২৫) নিহত হন।
সংবাদ পেয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলতাফ হোসেন ও গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আব্দুল অহীদের নেতৃত্বে দেড় শতাধিক পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এসময় গ্রামবাসীর সহযোগিতায় কমপক্ষে ১০ জনকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি বন্দুক, একটি টোটা রাইফেল ও একটি কাটা রাইফেল উদ্ধার করা হয়।
অস্ত্রসহ আটকদের মধ্যে রয়েছে- শামীমের সহযোগী লাদেন বাহিনীর প্রধান লাদেন, আজাদ হোসেন, শহীদ, আরমান হোসেন, জামাল উদ্দীন। এদের মধ্যে ৫ জনই গুলিবিদ্ধ। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
এদিকে আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ সাত জনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে।
আহতদের মধ্যে রয়েছে- মো. আজাদ, আরাফাত হোসেন, রাকিব, ওসমান গণি, সৌরভ, মিলন। বাকিদের নাম জানা যায়নি।
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর সদর থানায় শামীমের বিরুদ্ধে হত্যাসহ ১৭টি মামলা রয়েছে। অপরদিকে লাদেনের বিরুদ্ধে ৫-৬টি এবং বাবুলের বিরুদ্ধে তিন থেকে চারটি মামলা রয়েছে।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।