শিবির সভাপতিকে চিকিৎসা দেয়ায়, বগুড়ায় ডাক্তারসহ আটক ৮

ককটেলে আহত বগুড়া সরকারি আযিজুল হক কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুয়েল সরকারকে গোপনে চিকিৎসা দেওয়ায় স্থানীয় একটি ক্লিনিকের পরিচালক, চিকিৎসক, নার্সসহ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা।

বগুড়ার গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান জানান, ককটেল বিস্ফোরণে আহত শিবির নেতা জুয়েল সরকারকে গোপনে শহরের সূত্রাপুর এলাকার ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। গোপন সংবাদে ওই ক্লিনিক থেকে আহত জুয়েল সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি বলেন, এ সময় গোপনে চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে ক্লিনিক মালিক, চিকিৎসক, নার্সসহ ৮ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন- ক্লিনিকের পরিচালক জামায়াতের বগুড়া শহর শাখার সহকারী সেক্রেটারি সেলিম রেজা, বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফিজিউলোজি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মিজানুর রহমান, ডা. আশরাফ আলী, ক্লিনিকের ওয়ার্ড বয় মোখলেছার রহমান, নার্স রোমিছা বেগম, তাহেরা খাতুন, রোজী খাতুন ও ফেরদৌসি আকতার।

এর আগে শুক্রবার সকালে বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুয়েল সরকার ককটেল বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হয়।

শহরের জামিলনগর এলাকায় বাসার সামনে ককটেল সদৃশ্য একটি কৌটা হাতে নেওয়ার পরে এ বিস্ফোরণ ঘটে বলে শিবির দাবি করে। তবে পুলিশের দাবি ককটেল তৈরি করতে গিয়ে বিস্ফোরণে জুয়েল সরকারের বাম হাতের কব্জি ও ডান হাতের ৩টি আঙুল উড়ে গেছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।