Friday, March 1, 2024
Google search engine
Homeশিক্ষাইবি'তে পোষ্য কোটার আন্দোলন স্থগিত

ইবি’তে পোষ্য কোটার আন্দোলন স্থগিত

অবশেষে কোন দাবি আদায় ছাড়াই পোষ্য কোটার আন্দোলন স্থগিত করা হয়েছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর সমিতির সভাপতি মোঃ এটিএম এমদাদুল আলম এ আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা করেন।তথ্য সূত্রে জানা গেছে, ১৭ সেপ্টেম্বর ইবি কর্মকর্তা সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মীর মোঃ মোরশেদুর রহমান বর্তমান সভাপতির বিরুদ্ধে পাল্টা অবস্থান নেয়। ২২ সেপ্টেম্বর ইবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসিম আহমেদ জয় বর্তমান সভাপতিকে লাঞ্ছিত করায় এ আন্দোলনে বিভক্তি সৃষ্টি হয়।দীর্ঘ আন্দোলনে বিভক্তি ও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না আসায় কোন দাবি আদায় না করেই সভাপতি আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করেন। প্রসঙ্গত ইবিতে পোষ্য কোটার ভর্তিতে শিথিল, চাকরির বয়সসীমা বৃদ্ধিসহ নানা দাবিতে প্রায় দুই মাস ধরে আন্দোলন করে আসছেন ইবি কর্মকর্তা সমিতির নেতৃবৃন্দ।১৬দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ২ সেপ্টেম্বর থেকে লাগাতার কর্মবিরতি চলমান রয়েছে।ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেই পোষ্যধারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ দিতে হবে মর্মে গত ২ জুন থেকে কর্মকর্তা সমিতি আন্দোলন শুরু করে।২৮ আগস্ট পোষ্য কোটায় শিথিল করা এবং চাকরির বয়সসীমা বৃদ্ধিসহ ১৬ দফা দাবিতে এ সমিতির নেতৃবৃন্দ ভিসি অফিসে স্মারকলিপি প্রদান করেন। ইবি চাকরিজীবিদের ব্যানারে গত ১ আগস্ট থেকে চলে আসা এ আন্দোলনে লাগাতার কর্মবিরতি হিসেবে কর্মকর্তা- কর্মচারীরা প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ২ টা পর্যন্ত পাচ ঘন্টা কর্মবিরতি করে আসছে।কর্ম বিরতিতে ক্যাম্পাসে স্থবিরতা বিরাজ করছে।১৭ সেপ্টেম্বর কর্মকর্তা সমিতির সঙ্গে আলোচনায় বসে ইবি প্রশাসন।বর্তমান সভাপতি এটিএম এমদাদুল আলমের নেতৃত্বাধীন জোট আলোচনা বয়কট করে ক্যাম্পাসের আমতলায় সমাবেশ করে।  দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনের সঙ্গে কোন বৈঠক নয় বলে জানিয়েছেন বর্তমান সভাপতি। সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মীর মোরশেদুর রহমানের নেতৃত্বাধীন জোট ১৬দফার আন্দোলনে একমত হলেও লাগাতার কর্মবিরতিতে দ্বিমত পোষণ করে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করায় এ বিভক্তি সৃষ্টি হয়েছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক সাধারণ সম্পাদক মীর মোরশেদুর রহমান জানান, ‘আমরা ১৬ দফার দাবি আদায়ের আন্দোলনে একমত কিন্তু যে দাবি আলোচনার মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব সে দাবি আদায়ে অহেতুক শিক্ষার্থীদের জিম্মি করা হয়েছে। লাগাতার কর্মবিরতির আন্দোলন সরকার বিরোধী আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। বর্তমান সভাপতি এ বক্তব্য অস্বীকার করে বলেন, ‘এটা আমাদের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে।প্রশাসন বয়সবৃদ্ধি না করলে অল্প সময়ের ব্যবধানে কিছু উচ্চ পদের কর্মকর্তা অবসরে যাবে।সে সমস্ত  পদের লোভী হয়ে কিছু মীর জাফর মার্কা কর্মকর্তা প্রশাসনের সঙ্গে  হাত মিলিয়ে এ আন্দোলনকে ব্যাহত করার পায়তারা করছে।এ বিষয়ে ভিসিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি দৈনিক সকালের সময়কে জানান , ‘ইবিতে ইউজিসি নির্দেশিত সকল কোটা বাস্তবায়ন করা হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা বান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে ইবি প্রশাসন সর্বদা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে।শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির নীতিমালা মালার বাইরে আমাদের কিছুই করার নাই।গুচ্ছের আওতায় সবকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পদ্ধতি একই।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments