লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
আসন্ন লাকসাম পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী তৎপরতা ক্রমেই বাড়ছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলীয়ভাবে খোরশেদ আলম তুহিনকে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। গত ২২ আগস্ট লাকসাম পৌরসভা মিলনায়তনে আয়োজিত ওয়ার্ড প্রতিনিধি সম্মেলনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
খোরশেদ আলম তুহিনকে প্রার্থী ঘোষণার পর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নির্বাচনী আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে তার পরিচিতি, সামাজিক যোগাযোগ এবং মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততাকে সামনে রেখে দলীয় সমর্থকেরা নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে নাগরিক সেবা, ন্যায়বিচার ও সামাজিক কল্যাণে কাজ করবেন। একই সঙ্গে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।
খোরশেদ আলম তুহিনের সমর্থকেরা বলছেন, নির্বাচনকে তিনি শুধু জনপ্রতিনিধি হওয়ার প্রতিযোগিতা হিসেবে দেখছেন না; বরং ওয়ার্ডবাসীর প্রত্যাশা ও নাগরিক সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার সুযোগ হিসেবে দেখছেন। রাস্তাঘাট, পরিচ্ছন্নতা, পানি নিষ্কাশন, নাগরিক সুবিধা এবং তরুণদের বিভিন্ন সমস্যা—এসব বিষয় নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্ব পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে নির্বাচনের মাঠে শেষ পর্যন্ত কার অবস্থান কতটা শক্তিশালী হবে, তা নির্ভর করবে ভোটারদের সমর্থন, প্রার্থীদের ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা এবং নির্বাচনী পরিবেশের ওপর। ফলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডে খোরশেদ আলম তুহিনের প্রার্থিতা স্থানীয় ভোটের সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলে, সেদিকেই এখন নজর ভোটারদের। লাকসাম পৌরসভার ৯টি সাধারণ ওয়ার্ডের মধ্যে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে খোরশেদ আলম তুহিনের নাম ঘোষণার ফলে নির্বাচনী প্রস্তুতি আরও দৃশ্যমান হচ্ছে।
আগামী দিনে অন্যান্য প্রার্থীদের প্রচারণা, গণসংযোগ ও ভোটারদের কাছে তাদের প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভর করে ৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র আরও স্পষ্ট হবে। এখন পর্যন্ত খোরশেদ আলম তুহিনকে ঘিরে জামায়াতের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।
ভোটারদের প্রত্যাশা—প্রার্থী যে দলেরই হোন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি যেন এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক সেবা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখেন। ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটাররা শেষ পর্যন্ত কাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।


