নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লার লাকসামে আল-মদিনা হিফজুল কুরআন একাডেমির হাফেজ শিক্ষার্থীদের পাগড়ি প্রদান উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় লাকসাম পৌর শহরের জংশন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত মাদ্রাসার মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান ছিলেন আমীরুস সালেকিন, দারুসসুন্নাত ওয়ালীয়া কমপ্লেক্সের চেয়ারম্যান ও মৌকারা দরবারের গদীনশীন পীর মাওলানা শাহ মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন ওয়ালী উল্লাহ।
মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মুফতি আজমল মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লাকসাম ছালেহিয়া ওয়ালিয়া দীনিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক আলহাজ মো. জাহিদুল মাওলা চৌধুরী, কুমিল্লা আলিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা মোস্তাক আহমদ, মৌকারা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. রফিকুল ইসলাম, দীনিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মোহাম্মদ উল্লাহ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ মো. রফিকুল ইসলাম বেলু, হাফেজ মাওলানা মো. আবুল কালাম ও বিশিষ্ট সামাজিক ব্যক্তিত্ব মো. আবুল হোসেন মেম্বার।
অনুষ্ঠানে দুই হাফেজ শিক্ষার্থী তাওহিদুল ইসলাম ও তরিকুল ইসলামকে পাগড়ি পরিয়ে দেওয়া হয়।
এ ছাড়া হাফেজ কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সাত শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হয়। বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন—আরাফ মজুমদার, মাহাদী হাসান তকি, জুনায়েদ ছিদ্দিকী, আব্দুল্লাহ, ফাউজুল আজিম, কামরুল ইসলাম ও ইমাম হোসাইন। অনুষ্ঠানে তাদের হাতে নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ওলামায়ে কেরাম, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান মেহমানের বক্তব্যে মাওলানা শাহ মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন ওয়ালী উল্লাহ বলেন, “রাজনীতি মানেই ধোঁকাবাজি। অসংখ্য লোককে হত্যা করে দেশকে মৃত্যুপুরী বানিয়ে কী লাভ হলো? জাতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। তবে রাজনীতি হারাম নয়।”
তিনি আরও বলেন, সংসদে যত বেশি হক্কানি আলেম যাবেন, দেশের পরিবেশ তত বেশি পরিবর্তিত হবে। কোরআন-হাদিসের চর্চা বৃদ্ধির মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য ও রাসুল (সা.)-এর ভালোবাসা অর্জন করতে হবে। এর মাধ্যমেই দুনিয়ায় শান্তি এবং আখিরাতে মুক্তি লাভ সম্ভব।
পরে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।


