Monday, June 8, 2026
Google search engine
Homeজাতীয়ক্যান্সারে আক্রান্ত ফজলু বাঁচাতে দানশীল ব্যক্তিদের আর্থিক সহযোগিতা চায়  

ক্যান্সারে আক্রান্ত ফজলু বাঁচাতে দানশীল ব্যক্তিদের আর্থিক সহযোগিতা চায়  

স্টাফ রিপোর্টার ॥
লিম্ফোমা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ফজলুল হক (৫২) নামের এক গারমেন্টস কর্মী গত তিন বছরে চিকিৎসার জন্য ব্যয় করেছেন প্রায় ৮ লাখ টাকা। জমানো টাকা খরচের পর ঋণ করে চিকিৎসার ব্যয় বহন করে আসছেন। বর্তমানে অর্থের অভাবে চিকিৎসা সেবা নিতে পারছেন না। বরিশাল পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ২ নং ধানীসাফা ইউনিয়নের ফুলঝুড়ি গ্রামের মৃত হারেচ আলী হাওলাদারের ছেলে তিনি। অর্থের অভাবে ঔষধ ক্রয় করতে পারছেন না।

বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের রেডিওথেরাপি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. তড়িৎ কুমার সমাদ্দার রোগী ফজলুল হক কে জানিয়েছেন, কেমো চিকিৎসায় ব্যয় হবে ৭ লাখ টাকা। সিট ভাড়া এবং ডাক্তার খরচ লাগবে আলাদা। কেমো হলো- ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত এক ধরনের শক্তিশালী রাসায়নিক ওষুধ। দ্রুত বিভাজিত হওয়া ক্যানসার কোশগুলোকে ধ্বংস করা বা তাদের বৃদ্ধি ধীর করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

বেঁচে থাকার আসায় মনে আশা নিয়ে ফজলুল সমাজের মহৎ ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন। তার ব্যবহৃত মুঠোফোন ও বিকাশ নাম্বার হলো- ০১৯২৮ ৮১৪ ৬৪০। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।

রোগী ফজলুল হক বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিজি হাসপাতাল) দেখালেও ঢাকা মহাখালীতে অবস্থিত ‘জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি হবার জন্য ৩ মাস চেষ্টা করেও ভর্তি হতে পারেননি। গিয়ে শুধু শুনেছেন সিট খালি নেই। ঢাকা রাজারবাগ এলাকায় ডা. বাসুদেব কুমার সাহা কে দেখালেও অর্থের অভাবে চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে পারেনি। অর্থের অভাবে ঢাকা ত্যাগ করে বরিশাল এসেও চিকিৎসার ব্যয় বহন করার সামর্থ্য আমার নেই। তাই সমাজের মহৎ ও দানশীল ব্যক্তিদের আর্থিক সহযোগিতা ছাড়া আমার বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।

তিনি আরো বলেন, সংসারে রয়েছে আড়াই বছরের একটি কন্যা শিশু সহ স্ত্রী। ভাই-বোনের পরিবার সকলেই দিনমজুর। এখনও ‘ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী’ ঔষধ কিনতে হয়। এক বোন মেয়ে স্ত্রীকে খাবার দেয়। মাঝে মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ১০ কেজি চাল ফ্রি পাই। অর্থের অভাবে নিজের চিকিৎসকের দেয়া ঔষধ কিনে খেতে পারছি না।

উল্লেখ্য, লিম্ফোমা হলো এক ধরনের ব্লাড ক্যান্সার। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার (লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম) শ্বেত রক্তকণিকা—’লিম্ফোসাইট’-এ শুরু হয়। এটি মূলত লিম্ফ নোড, প্লীহা, থাইমাস এবং অস্থিমজ্জাকে প্রভাবিত করে। লিম্ফোমা প্রধান দুটি ধরন হলো- হজকিন লিম্ফোমা ও নন-হজকিন লিম্ফোমা। রোগী ফজলুল- হজকিন লিম্ফোমা রোগে আক্রান্ত।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments